রাজশাহীর দামকুড়া থানা পুলিশ নিখোঁজ সংক্রান্ত মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রধান আসামি পাপ্পু, তার ভাই পিয়াস (২০), পবা উপজেলার হরিপুর এলাকার রাসেল (৪০), মানিক (২২) ও রিপনকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার (৭ এপ্রিল) তাদের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে পাপ্পুর দেওয়া তথ্যে নিখোঁজের ১৬ দিন মঙ্গলবার বিকেলে একটি ঘর থেকে রেজোয়ান (১৫)এর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত রেজোয়ান মহানগরীর লিলি সিনেমা হল মোড় এলাকার অটো রিকশাচালক বাবু ইসলামের ছেলে।
একমাত্র পুত্র সন্তানকে হারিয়ে, রেজওয়ানের বাড়ীতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ০৯ই এপ্রিল বুধবার সরেজমিনে গিয়ে যানা যায়যে, রেজওয়ানের মায়ের কিছুতেই কান্না যেন থাৃছে না অনেক স্বপ্ন ছিল এই রেজোয়ান কে নিয়ে তার বাবা, মায়ের। সবই কিছুই আজ শেষ হয়ে গেছে। আর বলার মতো কিছু নাই । রেজোয়ানের মায়ের একটাই কথা, আমার সন্তানের হত্যা কারীদের দ্রুত ফাঁসি চাই। এলাকাবাসীর ও একটাই দাবী আসামীদের ফাঁসি চাই।
রেজোয়ানের বাবা রাজশাহী সদর হাসপাতালের মর্গে গিয়েছেন, সন্তানের লাশ নিয়ে আসার জন্য। এ এক মর্মান্তিক দৃশ্য। আকাশ, বাতাস যেন ভারি ভারি হয়ে আসছে। রোযার কারণ স্কুল ছুটি, তাই বাবার অটো রিকশা শখ করে চালাছিলো, সন্তান রেজোয়ান। কিন্তু বখাটে, সন্ত্রাসীদের হিংস্র থাবায়, শেষ পর্যন্ত প্রাণ দিতে হলো কিশোর রেজোয়ানকে। রেজোয়ান কে পেপসির সাথে অনেক গুলো ঘুমের উষধ খাওয়ে অজ্ঞান করে, সন্ত্রাসীরা সেই অটোরিকশা নিয়ে বিক্রি করে দেয় অন্য জায়গায় আর রেজোয়ানকে ইট দিয়ে মাথা, মুন্ডললে থেতলে দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে, একপ্রকার এসিড ঢেলে দিয়ে, পরিত্যক্ত একটা ঘরে রেখে দেয় আসামীরা। যাতে করে পচা গন্ধ না হয়।
পুলিশ প্রশাসন ব্যপক অনুসন্ধান ও তদন্তে সকল তথ্য একে একে বেড়িয়ে আসে। আসামীদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে এনে রেজোয়ানের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করে।