ঢাকাTuesday , 15 September 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

তুচ্ছ ঘটনার জের নিখোঁজ সেন্টুকে হত্যার ধারণা পুলিশের – আটক দুই

Link Copied!

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও খতিয়া জাগ্রত যুব সংঘের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সেন্টুকে (৪২) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর লাশ কালিগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাকে উদ্ধারে নদীতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

#New_Classic_Event_Management

১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই মো. বিপ্লব হোসেন পরিবারের বরাত দিয়ে এ অভিযোগ জানান।

জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের খতিয়া গ্রামের মো. আউশ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় খতিয়া জাগ্রত যুব সংঘের সভাপতি। এছাড়া তিনি ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা জেলা উত্তর যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও কোনো পদে নেই বলে জানিয়েছেন তার ছোট ভাই।


পরিবার সূত্রে জানা যায়, খতিয়া জাগ্রত যুব সংঘের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে না জানিয়ে ক্লাবের খেলোয়াড় ও অন্যরা শোল্লায় একটি খেলার আয়োজন করেন। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীর কয়েকজনের সঙ্গে এ নিয়ে রাগারাগি করেন।

এর জের ধরে ওই রাত ৮টার দিকে কয়েকজন জাহাঙ্গীরকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান বলে পরিবারের অভিযোগ। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি।

দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা জাহাঙ্গীরকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে বাড়ির কাছাকাছি কালিগঙ্গা নদীর তীরে রক্তের দাগ ও বিভিন্ন আলামত দেখতে পান তারা।

পরে রাত ১২টার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।

পরিবারের অভিযোগ, জাহাঙ্গীরকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কালিগঙ্গা নদীর তীরে হত্যা করার পর তার লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দোহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. শামীম হোসেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে তিনি জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া বিভিন্ন আলামতের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে জাহাঙ্গীর হত্যার শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

এএসপি শামীম হোসেন বলেন, ‘প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন আলামতের তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, জাহাঙ্গীর হত্যার শিকার হয়েছেন। ইতোমধ্যে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় আনা হয়েছে।’

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল থেকে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন।

এদিকে দিনভর ঢাকার ডুবুরি দল কালিগঙ্গা নদীতে জাহাঙ্গীরের সন্ধানে অভিযান চালায়। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে ডুবুরি দল দিনের উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করে।

তবে সন্ধ্যার পর ট্রলার নিয়ে কালিগঙ্গা নদীতে জাহাঙ্গীরের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

জাহাঙ্গীরের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন এএসপি শামীম হোসেন। তবে পরিবারের মৌখিক অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে রাত থেকেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে ইতোমধ্যে আমরা অনেক ক্লু পেয়েছি। আশা করছি, খুব শিগগিরই এ রহস্যের উদ্‌ঘাটন হবে।’

তবে জাহাঙ্গীর আলম সেন্টুর লাশ উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তার মৃত্যুর বিষয়ে চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি