ঢাকার নবাবগঞ্জে নদী ও সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে মো. জাহাঙ্গীর আলমকে (৫০) ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
কথিত ভূমি দস্যু মো. জাহাঙ্গীর আলম গালিমপুর আন্ধারকোঠা এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে।
নবাবগঞ্জ উপজেলা ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার জয়নগর এলাকায় সরকারি রেকর্ডভুক্ত জমি ও নদী দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করার অপরাধে জাহাঙ্গীর আলমকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হালিম বলেন, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘ দিন ধরে এ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অপরদিকে ভূমি দস্যু মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে উপজেলার কালুয়াহাটী গ্রামের বাসিন্দা শেখ বিল্লাল হোসেন ও শেখ জিয়াউর রহমান অভিযোগ করেন, মো. জাহাঙ্গীর আলমের কাছ থেকে কোমরগঞ্জ মৌজার আরএস ৪২ নং খতিয়ানের আরএস ২৯০ দাগের ০.১০ একর, আরএস ২৯১ দাগে ০.০৬ একর, আরএস ২৯২ নং দাগে ০.০২ একর এবং আরএস ০২ নং খতিয়ানের আরএস ২৭৯নং দাগে ০.০৮ একর ভূমি, ৩০০৩ নং দলিল ও ১০৮৫ নং সাফকবলা দলিল মূলে খরিদ করি। আমি প্রবাসে থাকায় মো. জাহাঙ্গীর আলম ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে আমার সেই জমি ২০১৮-১৯ সালে নামজারি করে। আমি দেশে এসে বিষয়টি জানতে পারি। আমার ক্রয়কৃত জমিটি ভোগদখলের চেষ্টা করলে সে আমার লোকজনের ওপর হামলা করে। সে একটি সক্রিয় ভূমি প্রতারক চক্রের সদস্য। জাহাঙ্গীর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়, অসংখ্য মানুষের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে প্রতারণা করেছেন বলেও জানান তিনি।