ঢাকাSaturday , 7 May 2022
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

রেলমন্ত্রীর সাময়িক পদত্যাগ চাইলো টিআইবি

Link Copied!

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের আত্মীয়দের বিনা টিকেটে রেল ভ্রমণের দায়ে জরিমানা করায় টিকিট পরিদর্শককে (টিটিই) বরখাস্ত করার ঘটনা ন্যক্কারজনক বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তাই, নৈতিকবোধ থেকে মন্ত্রীকে সাময়িক সময়ের জন্য পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

#New_Classic_Event_Management

শনিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।

টিআইবি’র পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) শেখ মন্জুর-ই-আলম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিনা টিকেটে রেল ভ্রমণের দায়ে রেলমন্ত্রীর স্ত্রীর তিন আত্মীয়কে জরিমানা করায় সংশ্লিষ্ট টিকিট পরিদর্শককে (টিটিই) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এটি ন্যক্কারজনক দৃষ্টান্ত। এ ঘটনায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) গভীর উদ্বেগ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে।


ন্যায়নিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালনের কারণে পুরস্কৃত হওয়ার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট টিটিইকে ত্বরিত গতিতে বরখাস্তের সিদ্ধান্তে দেশবাসীর কাছে এ বার্তাটিই পরিষ্কার হয়েছে যে, ক্ষমতাবানরাই শুধু নয়, বরং তার/তাদের প্রভাববলয়ের মধ্যে থাকা আত্মীয়-পরিজনদের জন্যও আইন প্রযোজ্য নয়। বরং অনিয়মের কাছে মাথা নত করাই, রুটি-রুজি টিকিয়ে রাখার অন্যতম উপায়। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে নৈতিক অবস্থান থেকে রেলমন্ত্রীকে সাময়িক সময়ের জন্য পদত্যাগের আহ্বান জানাচ্ছে সংস্থাটি।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের আত্মীয়দের বিনা টিকেটে রেল ভ্রমণের দায়ে জরিমানা করায় টিকিট পরিদর্শককে (টিটিই) বরখাস্ত করার ঘটনা ন্যক্কারজনক বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তাই, নৈতিকবোধ থেকে মন্ত্রীকে সাময়িক সময়ের জন্য পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। শনিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। টিআইবি’র পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) শেখ মন্জুর-ই-আলম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিনা টিকেটে রেল ভ্রমণের দায়ে রেলমন্ত্রীর স্ত্রীর তিন আত্মীয়কে জরিমানা করায় সংশ্লিষ্ট টিকিট পরিদর্শককে (টিটিই) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এটি ন্যক্কারজনক দৃষ্টান্ত। এ ঘটনায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) গভীর উদ্বেগ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে। ন্যায়নিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালনের কারণে পুরস্কৃত হওয়ার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট টিটিইকে ত্বরিত গতিতে বরখাস্তের সিদ্ধান্তে দেশবাসীর কাছে এ বার্তাটিই পরিষ্কার হয়েছে যে, ক্ষমতাবানরাই শুধু নয়, বরং তার/তাদের প্রভাববলয়ের মধ্যে থাকা আত্মীয়-পরিজনদের জন্যও আইন প্রযোজ্য নয়। বরং অনিয়মের কাছে মাথা নত করাই, রুটি-রুজি টিকিয়ে রাখার অন্যতম উপায়। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে নৈতিক অবস্থান থেকে রেলমন্ত্রীকে সাময়িক সময়ের জন্য পদত্যাগের আহ্বান জানাচ্ছে সংস্থাটি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে শনিবার এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘ঘটনাটি ক্ষমতার অপব্যবহারের নির্লজ্জ ও নিকৃষ্টতম উদাহরণ। এখানে মূলত দুইভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে। প্রথমত, রেলমন্ত্রীর নিকটাত্মীয়দের বিনা টিকেটে রেল ভ্রমণ অর্থাৎ তারা ধরেই নিয়েছিলেন যে, রেলের প্রচলিত আইন তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়!। দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট টিকিট পরিদর্শক তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করায়, কোনো ধরনের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পুরস্কৃত হওয়ার পরিবর্তে বরখাস্ত হওয়ার ঘটনা দেশবাসীর কাছে এই বার্তাটিই পৌঁছেছে যে, ক্ষমতার দাপট ও অনিয়মই হচ্ছে বাস্তবতা। এই নিকৃষ্টতম দৃষ্টান্ত— এখনও গুটিকয়েক যারা নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে স্ব স্ব ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছেন তাদের জন্য একটি শক্তিশালী নেতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।’ যদিও এ ঘটনায় রেলমন্ত্রী নিজের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা গণমাধ্যমের কাছে অস্বীকার করেছেন এবং তার আত্মীয় পরিচয় দানকারীদের চেনেন না বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে রেল কর্তৃপক্ষ টিটিই বরখাস্তের জন্য যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগকে সামনে নিয়ে এসেছে এবং যার সঙ্গে রেলমন্ত্রীও একমত হয়েছেন। এমন বাস্ততবতায় প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, বিনা টিকিটের সেসব যাত্রী টিটিইকে রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় কেন দিয়েছিলেন? তাদের সত্যিকার পরিচয় রেল কর্তৃপক্ষ যাচাই করেছিলেন কি না? অধিকন্তু, যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ বিষয়ে টিটিই‘র বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে রেলমন্ত্রীর পরিচয় কতটা প্রভাব বিস্তার করেছিল? এসব বিষয়ে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। টিআইবি মনে করে, যেহেতু রেলমন্ত্রীর আত্মীয়দের জড়িয়ে এ জাতীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, অধিকন্তু বিনা টিকিটে ভ্রমণকারীরা রেলমন্ত্রীর পরিচয় ব্যবহার করেছেন, তাই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে নৈতিক অবস্থান থেকে সাময়িক সময়ের জন্য তার পদত্যাগ করা উচিত। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের ভয়ভীতি ও চাপের ঊর্ধ্বে থেকে সংশ্লিষ্টরা যাতে বিনা টিকিটে ভ্রমণের দায়ে অভিযুক্তদের ও দায়িত্ব পালনকারী টিকিট পরিদর্শকের বরখাস্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ব্যাপারে নির্বিঘ্নে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে সংস্থাটি।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে শনিবার এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘ঘটনাটি ক্ষমতার অপব্যবহারের নির্লজ্জ ও নিকৃষ্টতম উদাহরণ। এখানে মূলত দুইভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে। প্রথমত, রেলমন্ত্রীর নিকটাত্মীয়দের বিনা টিকেটে রেল ভ্রমণ অর্থাৎ তারা ধরেই নিয়েছিলেন যে, রেলের প্রচলিত আইন তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়!। দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট টিকিট পরিদর্শক তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করায়, কোনো ধরনের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পুরস্কৃত হওয়ার পরিবর্তে বরখাস্ত হওয়ার ঘটনা দেশবাসীর কাছে এই বার্তাটিই পৌঁছেছে যে, ক্ষমতার দাপট ও অনিয়মই হচ্ছে বাস্তবতা। এই নিকৃষ্টতম দৃষ্টান্ত— এখনও গুটিকয়েক যারা নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে স্ব স্ব ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছেন তাদের জন্য একটি শক্তিশালী নেতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।’

যদিও এ ঘটনায় রেলমন্ত্রী নিজের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা গণমাধ্যমের কাছে অস্বীকার করেছেন এবং তার আত্মীয় পরিচয় দানকারীদের চেনেন না বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে রেল কর্তৃপক্ষ টিটিই বরখাস্তের জন্য যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগকে সামনে নিয়ে এসেছে এবং যার সঙ্গে রেলমন্ত্রীও একমত হয়েছেন।

এমন বাস্ততবতায় প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, বিনা টিকিটের সেসব যাত্রী টিটিইকে রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় কেন দিয়েছিলেন? তাদের সত্যিকার পরিচয় রেল কর্তৃপক্ষ যাচাই করেছিলেন কি না? অধিকন্তু, যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ বিষয়ে টিটিই‘র বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে রেলমন্ত্রীর পরিচয় কতটা প্রভাব বিস্তার করেছিল? এসব বিষয়ে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

টিআইবি মনে করে, যেহেতু রেলমন্ত্রীর আত্মীয়দের জড়িয়ে এ জাতীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, অধিকন্তু বিনা টিকিটে ভ্রমণকারীরা রেলমন্ত্রীর পরিচয় ব্যবহার করেছেন, তাই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে নৈতিক অবস্থান থেকে সাময়িক সময়ের জন্য তার পদত্যাগ করা উচিত। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের ভয়ভীতি ও চাপের ঊর্ধ্বে থেকে সংশ্লিষ্টরা যাতে বিনা টিকিটে ভ্রমণের দায়ে অভিযুক্তদের ও দায়িত্ব পালনকারী টিকিট পরিদর্শকের বরখাস্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ব্যাপারে নির্বিঘ্নে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে সংস্থাটি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি