ঢাকার দোহার উপজেলার লটাখোলা গ্রামে ছুরিকাঘাতে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী সহ তিন জনকে আহত করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত শিক্ষার্থী রাজুসহ ৩ জনকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
গুরুতর আহত শিক্ষার্থী জয়পাড়া কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ রাজু(২০)। তার পিতার নাম শেখ জহির উদ্দিন। তার বাসা নূরপুর গ্রামে। আহত অন্যান্যরা হচ্ছেন নয়ন(২০), পিতা আবদুল খালেক, গ্রাম রাধানগর।কাওছার(১৮), পিতা ফিরোজ মাহমুদ, গ্রাম মাহমুদপুর। রফিক(১৯), পিতা সালাউদ্দিন, গ্রাম জয়পাড়া আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় ২২ নভেম্বর সোমবার বিকেলে উপজেলার লটাখোলা আজাহার আলী মেমোরিয়াল হাই স্কুল মাঠে ক্রিকেট খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এই সংঘর্ষ সংগঠিত হয়।
আহত রাজু জানান, রবিবার বিকেলে শাকিল, বাবুসহ বেশ কয়েকজনের সাথে আমাদের কথা কাটাকাটি হয় ক্রিকেট খেলা নিয়ে। পরে ওরা আজকে আমাদেরকে ডাক দেয় মীমাংসার জন্য। আমরা সেখানে উপস্থিত হওয়া মাত্রই ওরা আমাদের উপর হামলা চালায়।
তিনি আরো জানান,আমি জয়পাড়া কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবার এসএইচসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে কাওছার (১৮) জানান, আমার বন্ধু আমাকে ফোন দিয়ে বলে স্কুলের ঐখানে যেতে যে মিমাংসা হবে সে জন্য আমি সেখানে যাই। কিন্তু গিয়ে দেখি একজনের মাথাফাটা আর অন্যরা পরে আছে মাঠে, পরে আমি আমার বন্ধু নয়নকে নিয়ে হাসপাতালে আসলে তারা সেইখানে আমাদের হাতুর দিয়ে মারে।
এবিষয়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর কর্তব্যরত ডাঃ মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, রাজু(২০), নয়ন(২০), কাওসার(১৮), রফিক(১৯) চারজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে আসে। গুরুতর অবস্থায় এদের মধ্যে রাজুর পেটে আঘাতের চিহ্ন, নয়নের দুই হাতে, মাথায় ও পেটসহ চার স্থানে ইনজুরি হয়। রফিকের মাথায় আঘাত ছিল। মাথা ফেটে গিয়েছে। তাদের অবস্থা খারাপ হওয়ায়, তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠিয়ে দেই আমরা। তবে কাওসারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
এবিষয়ে দোহার থানার পুলিশ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পরির্দশনের জন্য পাঠিয়েছি । থানায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।কোন অভিযোগ পেলে আমরা সে অনুযায়ী কাজ করবো।