ঢাকাTuesday , 7 July 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচে প্রযুক্তির নতুন ছোঁয়া

Link Copied!

বিশ্বকাপের শেষ পর্যায়ের চারটি ম্যাচের জন্য বিশেষ সংস্করণের নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে অ্যাডিডাস।

#New_Classic_Event_Management

‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল (TRIONDA FINAL)’ নামের এই বলটি দুটি সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালে ব্যবহার করা হবে।

এটি গত বছরের অক্টোবরে প্রকাশিত ‘ট্রিওন্ডা’ বলের হালনাগাদ সংস্করণ। আগের বলের প্রযুক্তি ও পারফরম্যান্স একই রাখা হলেও এর নকশায় আনা হয়েছে নতুন পরিবর্তন।


বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শুধু রঙ নয়, টুর্নামেন্টের শেষ চার ম্যাচের গুরুত্ব তুলে ধরতে সম্পূর্ণ ভিন্ন ডিজাইনের বল তৈরি করেছে অ্যাডিডাস।

নতুন বলটির ডিজাইনে বিশ্বকাপ জয়ের প্রতীকী ভাব তুলে ধরা হয়েছে। কালো রঙের ওপর সোনালি অলংকরণ ব্যবহার করে বিশ্বকাপ ট্রফি থেকে অনুপ্রাণিত একটি আকর্ষণীয় নকশা তৈরি করা হয়েছে।

‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’-এ ২০২৬ বিশ্বকাপের ১৬টি স্বাগতিক শহরের পরিচয়ও যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালের আয়োজক ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউ জার্সিকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

পাশাপাশি বোস্টন, গুয়াদালাহারা, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, মনতেরে, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, সিয়াটল, টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের নামও ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক উপাদানের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন বল উন্মোচনের সময় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানান, বিশ্বকাপের শেষ চারটি ম্যাচে ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’ ব্যবহার করা হবে। তিনি বলেন, পুরো টুর্নামেন্টে ‘ট্রিওন্ডা’ অনেক স্মরণীয় গোলের সাক্ষী হয়েছে।

একই সঙ্গে এটি তিন স্বাগতিক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্য এবং ফুটবলের প্রতি তাদের ভালোবাসার প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপের শেষ পর্যায়ের প্রতিটি পাস, শট, সেভ ও গোলের সঙ্গে এই বল এবং ১৬টি স্বাগতিক শহরের অবদানও ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।

নতুন বলটিতে কানেক্টেড বল প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বলের গতিবিধি ও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। ফলে রেফারিরা আরও দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। পাশাপাশি ম্যাচ বিশ্লেষণেও আধুনিক প্রযুক্তির অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি