ঢাকাTuesday , 7 July 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

সাভারে এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ – মামলা দায়ের

Link Copied!

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে আয়োজিত সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

#New_Classic_Event_Management

সোমবার (৬ জুলাই) রাতে এনসিপির ঢাকা উত্তরের সদস্যসচিব সালামত উল্লাহ রনি বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে দলের ছয়জন নেতাকর্মী আহত হন।


সাভার মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

বিস্ফোরণের সময় মঞ্চে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সার্জিস আলম উপস্থিত ছিলেন। তখন ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দিচ্ছিলেন।

এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত দাবি করেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের কিছুক্ষণ আগে সমাবেশস্থলের বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে।

এ ঘটনায় জুলাই শহীদ শ্রাবণ গাজীর বাবা মান্নান গাজী, দুই সাংবাদিকসহ মোট ছয়জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন—মান্নান গাজী, শাহীন খন্দকার, জসীম উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ডিবিসি নিউজের ক্যামেরাপারসন মো. মজনু এবং এনপিবি নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. সাঈদুল ইসলাম।

দলীয় নেতাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরের কালীগঞ্জে কর্মসূচি শেষ করে নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা রাত ৯টার দিকে সাভারে পৌঁছান। পরে তারা পদযাত্রা করে সমাবেশস্থলে যান। নেতারা পৌঁছানোর পরপরই বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর তারা মঞ্চে উঠে অনুষ্ঠান শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঞ্চের সামনে সাংবাদিকরা অবস্থান করছিলেন। তাদের পেছনে সাধারণ মানুষের বসার ব্যবস্থা ছিল। নাবিলা তাসনিদের বক্তব্য চলাকালে ওই এলাকাতেই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। কিছু সময় পর বিদ্যুৎ ফিরে আসে।

ঘটনার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের বিচারের দাবিতে নাহিদ ইসলামসহ নেতাকর্মীরা মিছিল করেন। পরে তারা সাভার মডেল থানার সামনে অবস্থান নেন। এরপর হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন।

সমাবেশে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমালোচনা করেন। পাশাপাশি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুর মোহাম্মদ জানান, অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীদের আসামি করে মামলা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি