দেশে কালবৈশাখী ঝড়ের মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়লেও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অধিকাংশ বজ্রনিরোধক যন্ত্র অকেজো থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
প্রতি বছর বজ্রাঘাতে বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষিতে সরকার ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ হিসেবে ঘোষণা করে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও বিভিন্ন ভবনে কার্যকর বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা না থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র বজ্রপাতে বিভিন্ন হলের কক্ষের লাইট, ফ্যান, চার্জারসহ একাধিক ইলেকট্রনিকস সামগ্রী নষ্ট হয়েছে। পাশাপাশি অধিকাংশ বজ্রনিরোধক যন্ত্র অকার্যকর থাকায় সরাসরি বজ্রপাতের ঝুঁকি নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তারা।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থী মেজবাউল হোক মিজু বলেন, “কিছু দিন আগে মারাত্মক বজ্রপাতে বিভিন্ন হলে অনেকের রুমের ইলেকট্রনিকস জিনিস নষ্ট হয়েছে। দেশে বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক বজ্রপাতে প্রাণহানিও ঘটছে। বাকৃবিতেও এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই ঝুঁকিতে রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ক্ষয়ক্ষতি রোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল, একাডেমিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় দ্রুত কার্যকর লাইটনিং অ্যারেস্টার স্থাপন জরুরি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।