ভ্যানযোগে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে এক কিশোরী মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ভ্যানচালক শাকির হোসেনের (৩৬) বিরুদ্ধে। শনিবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত ভ্যানচালককে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৩ বছর বয়সী ওই মাদ্রাসাছাত্রী ঝাউদিয়া এলাকার একটি মাদ্রাসার আবাসিক হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে শাকির হোসেনের ভ্যানযোগে মাদ্রাসার উদ্দেশে রওনা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, পথে ভ্যানচালক শাকির হোসেন ওই ছাত্রীকে ভ্যান থেকে নামিয়ে ঝাউদিয়ার একটি গোরস্থানের নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
ধর্ষণের পর ভ্যানচালক শাকির হোসেন বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য মাদ্রাসাছাত্রীকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখায় এবং এরপর তাকে মাদ্রাসায় পৌঁছে দেয়।
ভয়ে প্রথমে চুপ থাকলেও, মাদ্রাসা থেকে ফিরে ওই ছাত্রী পরিবারের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। এরপর শনিবার রাতেই ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় ভ্যানচালক শাকির হোসেনের নাম উল্লেখ করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর দৌলতপুর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে। রোববার (তারিখ উল্লেখ নেই) দুপুরে উপজেলার হাসানপুর গ্রামের জাফের আলীর ছেলে অভিযুক্ত ভ্যানচালক শাকির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ভ্যানচালক শাকির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।