ঢাকাWednesday , 12 November 2025
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

ঢাকায় শীতের আমেজ বেড়েছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়

Link Copied!

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দিন ধরেই ভোররাতের দিকে শীতের হালকা অনুভূতি পাওয়া যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ার কারণেই এমন আবহ তৈরি হয়েছে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, যদিও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

#New_Classic_Event_Management

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে আবহাওয়া সাধারণত শুষ্ক থাকতে পারে।

বুধবার দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে, বিশেষ করে রাজধানীতে, তাপমাত্রা হ্রাস পেয়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় দুই ডিগ্রি কম। একই সময়ে ঢাকায়ও তাপমাত্রা কমে দাঁড়িয়েছে ১৯.৯ ডিগ্রি, যা ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেড় ডিগ্রি হ্রাস।


তবে এখনো দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য অনেক বেশি থাকায় শীত পুরোপুরি জেঁকে বসেনি। তেঁতুলিয়ায় গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস—অর্থাৎ দিন ও রাতের পার্থক্য ছিল ১৬.৯ ডিগ্রি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, “দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনো দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য অনেক বেশি। আগামী ১০ দিনের মধ্যে বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে ১৮ নভেম্বরের পর দুই-তিন দিনের জন্য তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “আকাশ পরিষ্কার থাকায় রাতে তাপমাত্রা নিচে নেমে যাচ্ছে, আবার একই কারণে দিনে সূর্যের তাপ বেড়ে যাচ্ছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য যদি ১০ ডিগ্রি বা এর নিচে নেমে আসে, তখনই প্রকৃত শীত অনুভব করা যায়। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে এই পার্থক্য কমতে শুরু করবে এবং শীতের অনুভূতিও বাড়বে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি