সুন্দরবনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ৬টি একনলা বন্দুক, ৩টি এয়ারগান, পাইপগানের একটি ট্রিগার ও ১৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে কথিত ডাকাত দলের সদস্যরা সুন্দরবনের গহিনে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনে সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে, একটি ডাকাতদল ডাকাতির উদ্দেশ্যে বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের শেলা নদীর ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলার একটি দল ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা সুন্দরবনের গহিনে পালিয়ে যায়। এ কারণে কাউকে আটক বা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৬টি একনলা বন্দুক, ৩টি এয়ারগান, ১টি পাইপগানের ট্রিগার এবং ১৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের নির্দেশনা, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
