ঢাকার নবাবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে নাড়ু উৎসব।
৯ অক্টোবার শুক্রবার বিকালে নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ উৎসবের আয়োজন করে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ললিতকলা একাডেমি (নাফা) ও ইনভিশন অ্যাকশন রিওয়ার্ড অ্যাসেট (ইয়ারা)।
‘মাটির সংস্কৃতি ধরে রাখব আমরা, ছড়িয়ে দেব সারা বিশ্বে’ স্লোগানে আয়োজিত এ উৎসবে গ্রামীণ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার সম্মিলন ঘটে।
নাড়ু উৎসবের প্রবর্তক, গবেষক ও সংগঠক সায়মা রহমান তুলির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাফার প্রতিষ্ঠাতা শফিউর রহমান তোতা।
উৎসবের উদ্বোধন করেন সাবেক সরকারি আমলা মাহমুদ আলী খান (টুলু স্যার)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক।
অনুষ্ঠানে সায়মা রহমান তুলি বলেন, গ্রামবাংলায় আবহমানকাল ধরে অতিথি আপ্যায়নে নাড়ুর প্রচলন রয়েছে। পরিবারের প্রিয়জনদের হাতে তৈরি নানা স্বাদের নাড়ু কেবল আনন্দই দেয় না, মানুষকে নিজের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গেও যুক্ত করে।
প্রধান অতিথি খোন্দকার আবু আশফাক বলেন, এ উৎসব বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
শরতের শেষে এমন আয়োজন বাঙালি সংস্কৃতিকে উজ্জীবিত করে। মৌলবাদী অপশক্তিকে রুখতে এ ধরনের উৎসব পাড়া-মহল্লায় ছড়িয়ে দেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষক তামান্না রহমান, রোদসী ম্যাগাজিনের সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াছিন খন্দকার, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর খন্দকার আরশীন মাহমুদ, উপজেলা বিএনপির সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকার, ফয়সাল তিতুমীর ও নারী উদ্যোক্তা মাহমুদা কলিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
