ঢাকাTuesday , 7 April 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

খলিলুর রহমানের প্রথম ভারত সফর – দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন অধ্যায়ে

Link Copied!

বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান প্রথমবারের মতো ভারত সফরে যাচ্ছেন। সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানো, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন কাটানো।

#New_Classic_Event_Management

সফরের প্রধান সূচি ও বৈঠকসমূহ:

  • সফরকাল: প্রায় ৪৮ ঘণ্টা।
  • বৈঠক: ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরী, এবং সম্ভাব্য বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল
  • বিষয়: বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, ভিসা সমস্যা সমাধান, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, ফারাক্কা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন, পারস্পরিক কানেক্টিভিটি প্রকল্প ও অন্যান্য অমীমাংসিত ইস্যু।

বিশেষ দিক:


  • খলিলুর রহমান ভারত সফরের পরে মরিশাসের ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স-এ অংশ নেবেন।
  • তিনি এস জয়শঙ্করের সঙ্গে একই বিমানে মরিশাসে যাচ্ছেন, যা দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে একান্তে আলাপের সুযোগ দেবে।

প্রেক্ষাপট ও বিশ্লেষণ:

  • অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক টানাপোড়েনপূর্ণ ছিল।
  • নতুন বিএনপি সরকার ভারতকে বাংলাদেশে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা গ্রহণ করার বার্তা দিতে চায়।
  • বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই সফর ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের “ট্রানজিট” ও পুনঃস্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
  • সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এ সফরকে সম্পর্ক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করার পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সফরের সম্ভাব্য গুরুত্ব:

  • দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করা।
  • অতীতের অমীমাংসিত বিষয়সমূহ ও সীমান্ত ইস্যু সমাধান।
  • বাণিজ্যিক, জ্বালানি, এবং কনেক্টিভিটি প্রকল্পে সহযোগিতা বাড়ানো।
  • ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীদের সরাসরি সাক্ষাতের পথ প্রস্তুত করা।

উল্লেখযোগ্য মন্তব্য:
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, “যত ওপেন ও ক্লিয়ারলি এংগেজমেন্ট থাকবে, তত চ্যালেঞ্জিং ইস্যু সমাধান সম্ভব হবে।”

এই সফরকে এক ধরনের “নিউ রিলেশনশিপ স্টার্টার” হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে নতুন সরকারের প্রেক্ষাপট থেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন ও শক্তিশালী করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি