জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হাইকোর্ট বিভাগের ২২ জন বিচারককে স্থায়ী করা হয়েছে। তবে একই সময়ে নিয়োগ পাওয়া বিএনপি নেতা নিতাই রায় চৌধুরীর ছেলে দেবাশীষ রায় চৌধুরী এবার স্থায়ী নিয়োগের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্ট বিভাগের ২২ জন অতিরিক্ত বিচারককে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
স্থায়ী হওয়া বিচারকরা হলেন:
মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, সৈয়দ এনায়েত হোসেন, মো. মনসুর আলম, সৈয়দ জাহেদ মনসুর, কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা, মো. যাবিদ হোসেন, মুবিনা আসাফ, কাজী ওয়ালিউল ইসলাম, আইনুন নাহার সিদ্দিকা, মো. আবদুল মান্নান, তামান্না রহমান খালিদী, মো. শফিউল আলম মাহমুদ, মো. হামিদুর রহমান, নাসরিন আক্তার, সাথীকা হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন, মো. তৌফিক ইনাম, ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন, শেখ তাহসিন আলী, ফয়েজ আহমেদ, মো. সগীর হোসেন এবং শিকদার মাহমুদুর রাজী।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর সরকার ২৩ জনকে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তাদের মধ্যেই ছিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ৬(২)(ক) অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর বয়স ন্যূনতম ৪৫ বছর হতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, দেবাশীষ রায় চৌধুরীর জন্ম তারিখ ১ মার্চ ১৯৮১। সে হিসাবে ১১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে (স্থায়ী করার দিন) তার বয়স দাঁড়ায় ৪৪ বছর ৮ মাস ১১ দিন, যা নির্ধারিত বয়সসীমার কম। তবে প্রজ্ঞাপনে তাকে স্থায়ী না করার নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি।