নবাবগঞ্জ বাসীর জীবন যাত্রার মান, পানি ও ভূমি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থপনা সমীক্ষা” শীর্ষক প্রকল্পের ফলাফলের উপর জাতীয় কর্মশালা ১৯ই জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, ৭২ গ্রীন রোড, ঢাকা-এর সম্মেলন (লেভেল-১১) কক্ষ অনুষ্ঠিত হয়।
দোহার-নবাবগঞ্জ বাসীর দীর্ঘদিনের বহুল আলোচিত দাবি হলো ‘ইছামতি নদী অবমুক্তকরন করে মানিকগঞ্জের কাশিয়ানি পয়েন্টের সাথে সংযুক্ত করা’। এই ধারাবাহিকতায় দোহার-নবাবগঞ্জ বাসীর এই দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে – বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, দোহার এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, নবাবগঞ্জ এর প্রতিনিধিগন ইছামতি নদী বাঁচাও প্রসঙ্গে একটি স্মারকলিপি, মাননীয় উপদেষ্টা,
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান (মাননীয় উপদেষ্টা,পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)এর কাছে পেশ করে পক্ষান্তরেই এই সমস্যার সমাধান করবে বলে মাননীয় উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেন।
এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মো: আদিলুর রহমান খান (মাননীয় উপদেষ্টা, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ণ ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয়)
এই সভায় দোহার-নবাবগঞ্জ এবং শ্রীনগরের ৮ টি খাল খননসহ আড়িয়াল বিলের জীব-বৈচিত্র্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করে দ্রুত্ব সময়ে এর প্রতিকার করা হবে বলে প্রতিনিধি সদস্যদের সাথে মতবিনিময় হয়।
নবাবগঞ্জবাসীর পক্ষে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, নবাবগঞ্জ এর, আহ্বায়ক, শাকিল আহমেদ ও সহ-মুখপাত্র খাদিজা আখতার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপির কপি অনুসারে তুলে ধরা হচ্ছে যে, ইছামতি নদী রক্ষায়, নবাবগঞ্জ উপজেলার সোনাবাজু বেড়িবাঁধ পয়েন্ট এ সুজগেট করার আবেদনম সহ পদ্মা নদীর আশেপাশের জায়গা বালু ফেলে ভরাট করে ঘর-বাড়ি হওয়ার কারণে প্রাণপ্রিয় ইছামতী নদী নাব্যতা হারিয়ে মরা নদীতে পরিণত হচ্ছে। যার জন্য প্রচন্ড দুর্ভোগ ও অসহায়ত্বের শিকার হচ্ছে এই অঞ্চলের নদীপাড়ের জনপদ। সাভারে কল-কারখানা ও ট্যানারী শিল্প স্থাপনের কারণে ইছামতীতে সরাসরি এর বর্জ্য পড়ছে। নাব্যতা না থাকার কারণে আরেক বুড়িগঙ্গা নদীতে পরিণত হচ্ছে ইছামতি নদী। এ নদী কৃষি কাজের প্রয়োজনীয় পানির সরবরাহ ব্যহত হচ্ছে এতে করে গ্রামীণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন ও মাছসহ জলজ প্রাণী জীববৈচিত্র্য হুমকির মধ্যে পড়ছে। বিশেষ করে যারা মৎসজিবী, মাছ শিকার করে জীবীকা নির্ধারণ করেন তাদের জীবিকা নিবাহ করতেন আজ প্রায় বিপন্ন হয়ে পরেছে।
মৎসজীবীদের ভাষ্য মতে ইছামতী নদীর মাছ বাংলাদেশের মিঠা পানির সবচেয়ে সুস্বাদু মাছ ছিল কিন্তু বর্তমানে সেই চিরচেনা স্বাদ পানির অতিরিক্ত দূষনের কারণে তা নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়াও, ইছামতীর নাব্যতা না থাকার কারণে ফসলি জমিতে বর্ষাকালে পানির পযাপ্ত প্লাবিত হচ্ছে নাহ। অতি সত্ত ইছামতী নদীকে বাঁচাতে সুইচগেইটের বিকল্প নেই। বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে ইছামতী নদীর পানি প্রবাহ সচল রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় নবাবগঞ্জ বাসির পক্ষে।