ঢাকাWednesday , 6 July 2022
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

বিএসএফের ধাওয়ায় নদীতে লাফ, ৩৬ ঘণ্টা পর ভাইবোনের লাশ উদ্ধার

Link Copied!

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফের ধাওয়ায় নদীতে ডুবে নিখোঁজের ৩৬ ঘণ্টা পর ভাইবোনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ভারতীয় পুলিশ।

#New_Classic_Event_Management

রোববার (৩ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর কাশিয়াবাড়ী সীমান্তের জিরো লাইনের নীলকমল নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশুদের নাম পারভীন (৯) ও সাকিবুর (৫)। তারা কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার পশ্চিম সুখাতি গ্রামের রহিচ উদ্দিন (৩৮) ও তার স্ত্রী সামিনা বেগম (৩৫) দম্পতির সন্তান।


জানা গেছে, আজ রোববার দুপুরে ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ধর্মপুর সীমান্তের পাশে নীলকমল নদীতে স্থানীয়রা শিশু দুটির মরদেহ ভাসতে দেখে। পরে এ খবর পেয়ে ভারতীয় শেউটি-১ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্য ও সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ আজ দুপুরে ঘটনাস্থলে এসে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ভারতে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে রহিজ উদ্দিন জানান, প্রথমবারের মতো সন্তানদের নিয়ে বাংলাদেশে আসছিলেন তিনি। তাদের নিরাপদে দেশে আনার জন্য ভারতের দালালদের সঙ্গে ৩০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। পরে শুক্রবার (১ জুলাই) রাতে তাদেরকে সীমান্তের পাশে একটি বাড়িতে রাখেন দালাল। সেখানে আরও ২০ থেকে ২৫ জন নারী, পুরুষ ও শিশু ছিল। গভীর রাতে আন্তর্জাতিক পিলার ৯৪৩-এর পাশে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর সীমান্ত এলাকার নদী পাড়ে নিয়ে আসা হয় তাদের।

তিনি আরও জানান, ভারতের শেউটি ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা লাইট জ্বালিয়ে দেখার পর তাদের ধাওয়া করে। এ সময় দালালরা তড়িঘড়ি করে নদী পার হওয়ার জন্য বলে। তিনি জিনিসপত্র নিয়ে নদীর মাঝে চলে যান। আর তার স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে নদীতে নামেন। কিন্তু তারা কেউই সাঁতার জানে না। স্রোতের টানে সন্তানরা মায়ের হাত থেকে ফসকে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে মরদেহ ভেসে উঠলে আজ রোববার দুপুরে পুলিশ উদ্ধার করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি