♦ নির্মাণের এক যুগেও খোঁজ নেয়নি কর্তৃপক্ষ
♦ এবার পার বেঁধে টাকা লুটের নতুন ফন্দি
♦ খনন না করায় অসন্তুষ্ট কৃষক
♦ অপ্রয়োজনে ৯ লাখ টাকায় বসছে ব্লক
♦ ‘স্লুইস গেটটি কেন নির্মাণ করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই’
খাঁড়িতে পানি ধরে রাখার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় স্লুইস গেট। সেই গেটটিও নষ্ট। এদিকে সেই খাঁড়ি খনন ও স্লুইস গেট ঠিক না করে ভাঙন ঠেকানোর নামে এতে ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে বসানো হচ্ছে ব্লক।
অযত্ন-অবহেলায় পড়ে থাকা স্লুইস গেটটির অবস্থান দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায়।
এটি উপজেলার ২ নম্বর কাটলা ও ৬ নম্বর জোতবানী ইউনিয়নের জোতবানী ও শৈলান গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া খাঁড়ির ওপর নির্মিত।
স্লুইস গেটসংলগ্ন পশ্চিম পাশের ক্ষেতে কাজ করছিলেন জোতবানী গ্রামের কৃষক শামসুল মণ্ডল (৬৭)। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘স্লুইস গেট তৈরি করার পর থেকে এটি আমাদের কোনো উপকারে আসে নাই। সরকার অযথাই এখানে এটি তৈরি করে লাখ লাখ টাকা নষ্ট করেছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে খাঁড়িটি খনন না করায় খরা মৌসুমে এই খাঁড়িতে কোনো পানি থাকে না। ফলে আমরা রবিশস্য উৎপাদনের সময় জমিতে পানি সেচ দিতে পারি না। ’
বর্তমানে খাঁড়িতে হাঁটু পরিমাণ পানির প্রবাহ না থাকলেও ৯ লাখ টাকা খরচ করে স্লুইস গেটটির উত্তর ও দক্ষিণ দিকের পশ্চিম পারে সিসি ব্লক বসানোর কাজ চলমান রয়েছে। এটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে দিনাজপুরের মেসার্স মাহি এন্টারপ্রাইজ।
উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা আব্দুল্লা আল সাদিক বলেন, ‘স্লুইস গেটটি কেন নির্মাণ করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। তখন তো আমি এ উপজেলায় ছিলাম না। ’
তিনি জানান, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হিসেবে স্লুইস গেটের উভয় পাশে ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে চিরির খালের পার রক্ষায় ব্লক বসানোর কাজ চলছে।