সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট সংক্ষেপে সিএসইউ কাজ শুরু করে ২০২১ থেকে। শুরুতে তাদের সংগঠনের নাম ছিলো দোহার-নবাবগঞ্জ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট। সাইবার বিশ্লেষক জনাব ‘জয় সাহা হৃদয়’ দোহার-নবাবগঞ্জে সাইবার হ্যারাসমেন্টের স্বীকার অসহায় মানুষদের পাশে দাড়িয়ে তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা ও যথাযথ পরামর্শ প্রদানের লক্ষ্য নিয়েই মূলত ‘দোহার-নবাবগঞ্জ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট’ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তাদের কার্যক্রম দেশব্যাপী বিস্তৃত করতে সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে ‘সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট’ করা হয়। বর্তমানে জয় সাহা হৃদয় এর পাশাপাশি গ্রুপটির অন্যতম পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন রাসেল হোসেন, দীপ রোজারিও, আবেক রাব্বি সহ একঝাঁক তরুণ স্বেচ্ছাসেবী সাইবার বিশেষজ্ঞ। সংগঠনটির সাথে বেশ কয়েকজন প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গও সম্পৃক্ত রয়েছেন।
বর্তমানে সাধারণ মানুষের জনপ্রিয় দুইটি সোশ্যাল মিডিয়া ১। ফেসবুক ও ২। ইমো, ফেসবুকে প্রোফাইল, পেজ, গ্রুপ ও ইমো আইডি হ্যাকিং করে সাধারণ মানুষের অর্থ লোটপাট করে যাচ্ছে এক শ্রেণির হ্যাকারগণ। উক্ত সাইবার হ্যারাসমেন্টের স্বীকার কেউ হলে সাধারনত ভিকটিম বিস্তারিত জানিয়ে সিএসইউ এর অফিসিয়াল ফেইসবুক গ্রুপে পোস্ট করে কিংবা তাদের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেজে মেসেজ করে জানায়। অতঃপর সিএসইউ এর কর্তব্যরত কর্মী তার অভিযোগটি পর্যালোচনা সাপেক্ষে তাকে যথাযথ পরামর্শ দেয় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করে থাকে।
এই মর্মে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা জনাব জয় সাহা হৃদয় এর নিকট সংগঠনটি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান ২০২১ সালের জানুয়ারি হতে চলমান ২০২২ এর জানুয়ারি, ৩১ তারিখ পর্যন্ত আমরা প্রায় তিন শতাধিক সাইবার হ্যারাসমেন্ট কেস সমাধান করেছে বলে জানায়। সিএসইউ সম্পূর্ণ অলাভজনক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তবে ভিকটিমের সমস্যা সমাধান করে দিতে পারলে তাকে অনুরোধ করে সে যেন তার সামর্থ্য অনুযায়ী পথশিশু কিংবা অসহায় কোনো পরিবারকে ১ বেলা পেটপুরে খাইয়ে দেন কিংবা বাজার করে দেন।
সংগঠন হতে সহযোগিতা প্রাপ্ত কয়েকজনের নিকট হতে জানা যায় তারা সমস্যায় পরার পর সিএসইউ কে জানালে কর্তব্যরত কর্মী তাদের আইনি ঝামেলা এড়াতে সাইবার হ্যারাসমেন্টের স্বীকার হওয়ার সাথে সাথে নিকটবর্তী থানায় অতি দ্রুত একটি সাধারণ ডায়েরি করতে বলে। সাধারণ ডায়েরি করা হলে সিএসইউ এর কর্মীরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সমস্যার সমাধান করে দেন।