সম্প্রতি দোহার উপজেলার, মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচন্ডি গ্রামে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী যুবলীগ নেতা আমজাদ বেপারীকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন আমজাদের পরিবার। অসহায় পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিতে আজ ২৭ জুলাই, শনিবার, উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন নিহত আমজাদের বাসায় যান। জনদরদী, কর্মীবান্ধব নেতা মোঃ আলমগীর হোসেনকে পেয়ে আমজাদের স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়েন। সাথে ছিলেন আমজাদের তিন মেয়ে সন্তান। তাদের আর্থিক অবস্থার খোঁজ খবর নিয়ে তৎক্ষণাৎ এই পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান। সাথে এই পরিবারের দায়িত্ব নেন তিনি। মোঃ আলমগীর হোসেন
গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বলেন আজ থেকে এই পরিবারের দায়িত্ব আমার ও দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের। তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে খুব শিগগিরই তাদের পরিবারের জন্য একটি ব্যাংক হিসাব খুলে, নগদ অর্থ প্রদান করবেন, যাতে সেই অর্থ দিয়ে তারা তাদের সংসার ও সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারেন। তার এই উদারতা দেখে পরিবার আবারো কান্নায় ভেঙে পড়েন। সেই সময় সকলে চেয়ারম্যানের দীর্ঘায়ু জীবন কামনা করেন।
তিনি বলেন সমাজে যারা ভালো অবস্থানে আছেন, তাদের সবারই এইরকম পরিবারের পাশে এগিয়ে আসা উচিত। তিনি আরো বলেন আমাদের মাননীয় সাংসদ জনাব সালমান ফজলুর রহমান প্রতিনিয়ত দোহার-নবাবগঞ্জবাসীকে সুখে ও শান্তিতে রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং নেতাকর্মীদের অসহায়দের পাশে থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। যতদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে এই দেশ রবে, ততদিন পথ হারাবে না বাংলাদেশ। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মাননীয় সাংসদ সালমান এফ রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করেন। এই সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেক পত্তনদার, মামুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পত্তনদার, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী।