ঢাকাThursday , 26 February 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

ঢাকাসহ দেশজুড়ে কম্পনের সিরিজ ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা সতর্ক

Link Copied!

চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৫ দিনে দেশে মোট নয়বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঘন ঘন এই কম্পন বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বসংকেত কিনা, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

#New_Classic_Event_Management

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের আশপাশের এলাকা ও দেশের ভেতরে ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প বাড়ছে। ভূতাত্ত্বিকভাবে এটি বড় ধরনের ভূমিকম্পের আগাম লক্ষণ হতে পারে।

১ ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই প্রথম ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সেদিন ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় ৩ মাত্রার মৃদু কম্পন হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেট শহরের পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্ব দিকে।


৩ ফেব্রুয়ারি রাতে পরপর দুটি ভূমিকম্প হয়, যার উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার। এ দুটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ এবং ৫ দশমিক ২।

একই দিন ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও কম্পন অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা, যা ঢাকা থেকে প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।

৯ ফেব্রুয়ারি ভোরে এবং ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় আরও দুটি ভূমিকম্প হয়। এগুলোর মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৩ দশমিক ৩ এবং ৪।

১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে আবার সিলেট অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা। ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। বুধবার রাত ১০টা ৫১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডেও এটি অনুভূত হয়।

সবশেষ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পবিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার কম্পন বাংলাদেশেও অনুভূত হয়।

অন্যদিকে ইউরো-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানায়, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইউটিসি সময় ১৬টা ৫১ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর অবস্থান ছিল ২৩ দশমিক ০৩১ অক্ষাংশ ও ৯৪ দশমিক ৭৪৪ দ্রাঘিমাংশে এবং গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০১ কিলোমিটার।

কম্পনের কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের মোনইয়া শহর থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে এবং মাওলাইক শহর থেকে প্রায় ৭৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। গভীরে উৎপত্তি হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ২১ নভেম্বর দেশে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তখন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ১০ জন মারা যান, ছয় শতাধিক মানুষ আহত হন এবং অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি