ঢাকাThursday , 26 February 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

বাংলা কাব্যের মহীরুহ কায়কোবাদ-এর ১৬৯তম জন্মবার্ষিকী

বিনোদন ডেস্ক
February 26, 2026 12:46 pm
Link Copied!

মহাকবি কায়কোবাদ-এর ১৬৯তম জন্মবার্ষিকী। ২৫ ফেব্রুয়ারি শুভ জন্মদিন বাংলাদেশের এই মহাকবিকে।

#New_Classic_Event_Management

‘কে ঐ শোনালো মোরে আযানের ধ্বনি’—বিখ্যাত ‘আযান’ কবিতার রচয়িতা কায়কোবাদ ১৮৫৭ সালের এই দিনে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ‘মহাশ্মশান’ কাব্যের জন্য তিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন এবং মহাকবি উপাধিতে ভূষিত হন।

জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার সকালে ‘মহাকবি কায়কোবাদ স্মৃতি সংসদ’-এর উদ্যোগে ঢাকার আজিমপুর পুরোনো কবরস্থানে তাঁর সমাধিতে কবর জিয়ারত ও দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে কবির দৌহিত্র এস এস আশরাফউদ্দিন আহমেদসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মালিবাগের ডিআইটি রোডে সংগঠনের পক্ষ থেকে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কবির জীবন, সাহিত্যকর্ম এবং বাঙালি মুসলমানের সাংস্কৃতিক পরিচয় গঠনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরা হয়। সংগঠনের সদস্য, ইতালি প্রবাসী বিষ্ণুপদ সাহা ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মো. ইব্রাহিম ভার্চুয়াল মাধ্যমে জানান, শৈশব থেকেই কবির প্রতি তাদের বিশেষ টান রয়েছে। প্রবাসে থাকলেও তারা প্রতি বছর তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেন। এ বছর কবির স্মরণে গুণীজন সম্মাননা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।

কায়কোবাদ ১৯০৪ সালে ‘মহাশ্মশান’ কাব্য রচনা করে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। তিনি আধুনিক শুদ্ধ বাংলায় গীতিকাব্য, কাহিনীকাব্য ও কাব্যোপন্যাস রচনা করেছেন। ১৮৫৭ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত ৯৪ বছর বেঁচে ছিলেন এই কবি। দীর্ঘ সময় তিনি বাংলা সাহিত্যচর্চায় নিয়োজিত ছিলেন।

মাত্র ১২ বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বিরহ বিলাপ’ ১৮৭০ সালে প্রকাশিত হয়। এরপর ‘কুসুম কাননে’ (১৮৭৩) ও ‘অশ্রুমালা’ (১৮৯৬) প্রকাশের মাধ্যমে তিনি সাহিত্যসমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত হন। কবি নবীন চন্দ্র সেন এবং তৎকালীন বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর কাব্যের প্রশংসা প্রকাশিত হয়।

তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘শিব মন্দির’, ‘অমিয় ধারা’, ‘মহরম শরীফ বা আত্মবিসর্জন কাব্য’, ‘শ্মশান ভষ্ম’ প্রভৃতি। মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় ‘প্রেমের ফুল’, ‘প্রেমের রানী’, ‘প্রেম পারিজাত’, ‘মন্দাকিনি ধারা’ ও ‘গাউছ পাকের প্রেমের কুঞ্জ’। সব মিলিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যে ১৩টি কাব্যগ্রন্থ উপহার দিয়েছেন।

শোনা যায়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর তাঁর কিছু পাণ্ডুলিপি হারিয়ে যায়, যা আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সেগুলো পাওয়া গেলে বাংলা সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হতো বলে মনে করা হয়।

১৯৫১ সালের ২১ জুলাই বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরে তাঁকে আজিমপুর পুরোনো কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি