ঢাকাWednesday , 13 December 2023
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

ছুরিকাঘাতের প্রতিশোধ নিতেই ছাত্রলীগ কর্মীকে হত্যা: পুলিশ

ডেস্ক রিপোর্ট
December 13, 2023 11:11 pm
Link Copied!

ছুরিকাঘাতের প্রতিশোধ নিতেই বগুড়ায় ছাত্রলীগকর্মী আরিফ মণ্ডলকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর গ্রেপ্তার এড়াতে খুনি ছদ্মবেশে ঢাকায় তাবলিগ জামাতে যুক্ত হয়। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কাকরাইল মসজিদ এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিন আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে এসব তথ্য জানান।

#New_Classic_Event_Management

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– বগুড়া শহরের নিশিন্দারা পূর্ব খাঁ-পাড়ার দুই ভাই সাকিব শেখ ও সানমুন শেখ এবং হিমেল শেখ।

গ্রেপ্তার সাকিবের বিরুদ্ধে আগেও একটি হত্যাচেষ্টার মামলা হয়েছে বলে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন বগুড়ার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আখতার।


সংবাদ সম্মেলনে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম ও সদর থানার ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর রাতে শহরের নামাজগড়ে বগুড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল মণ্ডলের ছেলে ও ছাত্রলীগকর্মী আরিফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এর পরদিন ৬ ডিসেম্বর নিহতের মা তাহরীন বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এ মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয় আরও সাতজনকে।

মামলা থেকে জানা গেছে, অক্টোবর মাসের শুরুতে আরিফের ভাগনের মুহিমের সঙ্গে গ্রেপ্তার সাকিবের বিরোধ দেখা দেয়। পরে ৭ অক্টোবর আরিফ মীমাংসার কথা বলে সাকিবকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত করেন। ওই ঘটনায় সাকিবের বাবা মিলু বাদী হয়ে আরিফকে প্রধান আসামি করে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন। আরিফকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৮ দিন পর জামিনে বেরিয়ে আসেন আরিফ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাকিব ও তার ভাই সানমুন বন্ধুদের নিয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫ ডিসেম্বর রাতে নামাজগড়ে আরিফকে ধাওয়া করে আটকিয়ে হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে তারা। ঘটনাস্থল ধেকে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহত হাসুয়া, এস এস পাইপ ও লোহার রড উদ্ধার করে।

হত্যাকাণ্ডের পর তারা পাশের জয়পুরহাট জেলার হিলি বর্ডার দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে ছদ্মবেশে ঢাকায় তাবলিগ জামাতে যোগ দেয়। সেখান থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে আত্মগোপনের পরিকল্পনা করে। পরে ঢাকার অ্যান্টিটেরোরিজম ইউনিটের সহযোগিতায় সদর থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সুপার (এসপি) স্নিগ্ধ আখতার বলেন, আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি