বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ব্যবহার করেই প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সতর্কীকরণ নোটিশ টাঙালেও নিরাপদ বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে না তোলায় সাধারণ মানুষ কার্যত বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
উল্লেখ্য যে, গত ২ জুলাই, বৃহস্পতিবার, জয়পাড়া বাজার এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটিতে মোটরসাইকেল চলাচল দুপুরে বন্ধ করে বিকেলে পুনরায় খুলে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মানুষের সামনে যখন কোনো বিকল্প পথ থাকে না, তখন বাধ্য হয়েই তারা ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করেন। ফলে শুধু সতর্কবার্তা দিয়ে দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায়ভার পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপরও বর্তায় বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
অভিযোগ রয়েছে, সেতু সংস্কার কিংবা নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগের কথা বিভিন্ন সময় শোনা গেলেও দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতায় কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এতে জনদুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও দিন দিন বাড়ছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি সেতুটি চলাচলের জন্য অনিরাপদ হয়, তাহলে সেটি বন্ধ করে বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো কেন তৈরি করা হয়নি? প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটলে তখন দায়ভার কে নেবে—এমন প্রশ্নও তুলেছেন তারা।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, আল্লাহ না করুন, কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার পর যেন কর্তৃপক্ষ শুধু “আগেই সতর্ক করা হয়েছিল” বলে দায় এড়িয়ে না যায়। তার আগেই স্থানীয় প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত একটি নিরাপদ বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।