ঢাকাWednesday , 17 June 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

নবাবগঞ্জে নাফার নৃত্য-গান-আবৃত্তিতে বর্ষামঙ্গল উৎসব

Link Copied!

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নবাবগঞ্জ ললিতকলা একাডেমি (নাফা)-এর আয়োজনে বর্ষামঙ্গল উৎসব ও বাবা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

#New_Classic_Event_Management

সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৫টায় নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বর্ষাকে স্বাগত জানিয়ে নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি, চারুকলা ও হস্তশিল্প প্রদর্শনীর পাশাপাশি বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ‘প্রিয় বাবা সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নবাবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রাক্তন সমিতির সভাপতি মাহমুদ আলী খান। তিনি তাঁর বক্তব্যে সন্তানের জীবনে বাবার ভূমিকা, পারিবারিক বন্ধনের গুরুত্ব এবং শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের খ্যাতিমান নিউরো লিংগুইস্টিক প্রোগ্রামিং (এনএলপি) প্রশিক্ষক অমিত কুমার পাঠক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নাফার কার্যক্রম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসরণ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে গ্রামের শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে নাফার অবদানের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি নাফার শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিল্পী হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে নাফার পক্ষ থেকে তাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের আরেক বিশেষ অতিথি নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকারকে ‘প্রিয় বাবা সম্মাননা’ প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, স্ত্রীর মৃত্যুর পর একাই দুই কন্যা সন্তানকে লালন-পালন করে বড় করে তোলার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাঁর দুই কন্যা আবেগঘন বক্তব্যে বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নাফার ব্যবস্থাপনা পরিচালক লতিফা রহমান লতা বলেন, “১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নাফা দেশের প্রতিটি ঋতুকে সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে বরণ করে আসছে। সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে গ্রামের শিশু-কিশোরদের নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে আমরা কাজ করছি। দেশীয় সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়ক ও নাফার সভাপতি শফিউর রহমান তোতা বলেন, “দেশ-বিদেশের অতিথিদের উপস্থিতি নাফার শিশু-কিশোর শিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনায় ছিলেন নাফার সাধারণ সম্পাদক সায়মা রহমান তুলি। তিনি বলেন, “নাফা একটি পরিবার। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে আমরা দেশের সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশে কাজ করে যাচ্ছি।”

অনুষ্ঠানে নাফার শিক্ষার্থীরা নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও চারুকলার মনোজ্ঞ পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের আঁকা চিত্রকর্মও প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. জেড এইচ খান, আবদুর রউফ মন্টু, মহসিন রহমান আকবার, রফিকুল ইসলাম রফিক, ইয়াসমীন আক্তার, বিলকিস চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি