মোংলার সুন্দরবনসংলগ্ন জয়মনির ঘোল এলাকায় অবস্থিত কোস্টগার্ডের হাড়বাড়িয়া স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ১২ জুন শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত যৌথবাহিনী ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মোংলা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র গাইন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে জয়মনির ঘোল এলাকার কোস্টগার্ড স্টেশনে একদল দুর্বৃত্ত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলে ৬ জনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মুক্তা খাতুন, লিজা ইসলাম, তাসলিমা বেগম, সুলতান শেখ, মহারাজ খান এবং মো. শাহজালাল ফরাজী।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কমান্ডার এম. মিসবাউল ইসলাম বলেন, জয়মনির ঘোল এলাকা দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যু ও তাদের সহযোগীদের সক্রিয় অবস্থান হিসেবে পরিচিত। এ কারণে সেখানে কোস্টগার্ড স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। স্টেশনটি চালু হওয়ার পর বনদস্যুদের কাছে রসদ, অস্ত্র, লজিস্টিক সহায়তা ও অন্যান্য সরঞ্জাম পৌঁছানোর পথ অনেকটাই সীমিত হয়ে গেছে, ফলে তাদের অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, বনদস্যু ও তাদের সহযোগীরা ওই এলাকায় কোস্টগার্ডের উপস্থিতি মেনে নিতে চায় না। তাই দস্যুতা এবং দস্যু পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু দুর্বৃত্ত কোস্টগার্ড স্টেশনে এই হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।