ঢাকাFriday , 12 June 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

জয়মনির ঘোল স্টেশনে হামলা পরিকল্পিত বলে ধারণা কোস্টগার্ডের

Link Copied!

বাগেরহাটের মোংলায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি স্টেশনে দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে দায়িত্ব পালনরত কয়েকজন কোস্ট গার্ড সদস্য আহত হয়েছেন।

#New_Classic_Event_Management

বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।

তিনি বলেন, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা, বনদস্যু দমন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।


তিনি আরও জানান, মোংলা থানাধীন জয়মনির ঘোল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যু ও তাদের সহযোগীদের একটি সক্রিয় ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় সেখানে কোস্ট গার্ড স্টেশন স্থাপন করা হয়। ওই স্টেশন স্থাপনের ফলে দস্যুদের রসদ, অস্ত্র ও লজিস্টিক সহায়তা প্রাপ্তির পথ বাধাগ্রস্ত হয়ে তাদের অপরাধমূলক কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ে।

এই প্রেক্ষাপটে ১১ জুন ২০২৬ তারিখে অজ্ঞাত একদল দুর্বৃত্ত স্টেশনে অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে যৌথ অভিযান শুরু করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও অসাধু চক্র কোস্ট গার্ডের চলমান অভিযান ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা ও বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, বনদস্যু দমন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে তাদের চলমান কার্যক্রম কোনো ধরনের হামলা, ভয়ভীতি বা অপপ্রচারে বাধাগ্রস্ত হবে না। একই সঙ্গে গণমাধ্যম ও স্থানীয়দেরকে যাচাই-বাছাই করে তথ্য প্রচারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ভবিষ্যতেও সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি