ঢাকাSaturday , 28 March 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে জিরো টলারেন্স – ওসি শাহীনুর রহমান

Link Copied!

মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে মোংলাবাসীর প্রতি কঠোর ও স্পষ্ট আহ্বান জানিয়েছেন মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনুর রহমান শাহীন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “মাদক ব্যবসা করে কেউ পার পাবে না—আইনের কঠোর হাত তাদের গলায় পৌঁছাতে আর দেরি নেই।”

#New_Classic_Event_Management

শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকেই নয়, বরং একটি সমাজ, একটি প্রজন্ম এবং রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই কোনো একক বাহিনীর দায়িত্ব নয়; এটি হতে হবে সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত যুদ্ধ।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, মোংলাকে মাদকমুক্ত করতে হলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক সমাজ, সাংস্কৃতিক কর্মী, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিকদের একযোগে একই প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে হবে।


ওসি শাহীনুর রহমান জানান, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মোংলা থানায় যোগদানের পর থেকে মাদকবিরোধী অভিযানে নজিরবিহীন সাফল্য অর্জিত হয়েছে। তার নেতৃত্বে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং একাধিক শীর্ষ মাদক সম্রাটসহ অসংখ্য মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়া এই সাফল্যকে তিনি পুলিশ ও জনগণের যৌথ প্রচেষ্টার ফল বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, “মাদক ব্যবসায়ীরা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।” ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নজরদারি শুরু করেছে এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।

কঠোর ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে ওসি শাহীন বলেন, “মাদক বিক্রেতারা এখনই সাবধান হোন। এই অবৈধ ব্যবসা বন্ধ না করলে সামনে অপেক্ষা করছে গ্রেপ্তার, জেল এবং সামাজিকভাবে সম্পূর্ণ বর্জন।”

তিনি দাবি করেন, জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মোংলাকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব। এমনকি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সদিচ্ছা ও তথ্য সহায়তা থাকলে তিন দিনের মধ্যেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরাও তার এই কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, প্রশাসনের দৃঢ় মনোভাব এবং জনসচেতনতার সমন্বয় ঘটলে মোংলায় মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।

মাদকবিরোধী এই বার্তা ইতোমধ্যে মোংলার অলিগলি পেরিয়ে এক শক্তিশালী সতর্ক সংকেতে পরিণত হয়েছে—এবার আর ছাড় নয়, মাদকের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত লড়াই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি