রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলার জন্য বিএনপির পরাজিত প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসাকে দায়ী করেছেন আখতার হোসেন। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য।
২৩ ফেব্রুয়ারি রোববার বিকেলে হারাগাছ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এমদাদুল হক ভরসার মদদে এনসিপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে।
আখতার হোসেনের দাবি, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই হারাগাছ এলাকায় ‘ভরসা বাহিনী’ তাণ্ডব শুরু করে। সারাই বালাহাট পশ্চিমপাড়া, বালারঘাট খামার ও দালালহাটখোলা এলাকায় এনসিপি নেতা মনিরুল ইসলাম, আরাফাত হোসেন এবং জামায়াত কর্মী মোমিনের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা আসবাবপত্র, মোটরসাইকেল, টেলিভিশন ও ওয়াশিং মেশিন ভাঙচুর করে এবং স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভয়ে অনেক নেতা-কর্মী এখনো বাড়িতে ফিরতে পারেননি বলেও জানান।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ-কে অবহিত করা হয়েছে। ১০ দিন পার হলেও পুলিশ বা সেনাবাহিনী কাউকে গ্রেপ্তার না করায় প্রশ্ন তোলেন তিনি।
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপির পরাজিত প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন জানিয়ে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
আখতারের সফরকে কেন্দ্র করে হারাগাছ এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। হারাগাছ পৌর বিএনপি প্রথমে হরতালের ডাক দিলেও পরে রমজান মাস বিবেচনায় তা প্রত্যাহার করে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে।