দীর্ঘ ১৭ বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে মাইলাইল শহীদ জিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি নামের সঙ্গে “শহীদ জিয়া” যুক্ত থাকার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
সম্প্রতি বিদ্যালয়টি পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সৌদি আরব প্রবাসী মোঃ শরিফুল জামান রিংকু। তিনি আগলা উত্তর চৌকিঘাটা গ্রামের বাসিন্দা। তার আহ্বানে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত একাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা এগিয়ে এসেছেন।
এই উদ্যোগে প্রবাসী সহযোগীদের মধ্যে রয়েছেন—আমেরিকা প্রবাসী সেলিম ইব্রাহিম, কুয়েত প্রবাসী আলমগীর কবির, গ্রীস প্রবাসী জামান আরিফ, সুইডেন প্রবাসী নাফফার আহমেদ ও দুবাই প্রবাসী ফারুক হোসেনসহ আরও অনেকে।
দেশে অবস্থানরত সহযোগীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্কুল সভাপতি মোক্তারুজামান মিল্টন, ওয়াহিদুর রহমান খান, মাসুম, বিল্লাহ হোসেন, শেখ রিগান, ওয়াশিম, সোহান, আনোয়ার, মুফতী নেছার মাওলানা, মামুন স্যারসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।
উদ্যোক্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে ৫ জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা আরবি শিক্ষা প্রদান করা হবে। এরপর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নিয়মিত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
বিদ্যালয় পুনরায় চালুর উদ্যোক্তা মোঃ শরিফুল জামান রিংকু বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, এটি একটি সম্মিলিত সামাজিক দায়িত্ব। সকলের সহযোগিতায় আমরা যদি শিশুদের জন্য একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারি, সেটিই হবে আমাদের সাফল্য।”
স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা মনে করছেন, বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু হলে এলাকার শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত হবে এবং শিক্ষাবঞ্চিত শিশুরা নতুন করে শিক্ষার আলো পাবে।