ঢাকাWednesday , 10 December 2025
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

কেরানীগঞ্জে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ শিক্ষক গ্রেপ্তার এলাকায় উত্তেজনা

Link Copied!

ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই প্রতিষ্ঠানেরই সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকার ‘এলিগেন্ট স্কুল এন্ড কলেজ’-এর চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক রমজান আলী (৩১)-কে গ্রেফতার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

#New_Classic_Event_Management

ভুক্তভোগী শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি তার পরিবারের সঙ্গে চুনকুটিয়া হিজলতলা এলাকায় বসবাস করে। অভিযুক্ত শিক্ষক রমজান আলী স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি ওই শিশুটিকে বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়াতেন।


গত ২৬ নভেম্বর শিশুটি স্কুল থেকে বাড়িতে ফিরে অসুস্থতা বোধ করলে তার মা তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার দুদিন পর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঢামেক-এর ওসিসি-তে রেখে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরই জানা যায়, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ঘটনা জানার পর গত ৭ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় শিক্ষক রমজান আলীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৮ ডিসেম্বর রাতে অভিযুক্ত শিক্ষক রমজান আলীকে গ্রেফতার করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এস আই রফিকুল আলম জানান, অভিযুক্ত রমজান আলীকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে প্রেরণ করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। আদালত শুনানি শেষে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।

দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং জানান, আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য গণমাধ্যম কর্মীরা এলিগেন্ট স্কুল এন্ড কলেজে গেলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক আনোয়ার জাহিদকে পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি সটকে পড়েন। পরে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

তবে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, স্কুলের অধ্যক্ষ আনোয়ার জাহিদের বিরুদ্ধে অভিভাবিকা, স্কুলের নারী শিক্ষকসহ একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং বেশ কয়েকটি নারীর সংসার ভাঙার অভিযোগ রয়েছে। অতীতে এমন ঘটনায় তিনি কৌশলে হাত-পা ধরে মিমাংসা করে পার পেয়েছেন বলেও জানা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি