ঢাকাMonday , 15 April 2024
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মসজিদের নাম গায়েবি মসজিদ

Link Copied!

মাঝখানে গম্বুজ তার দুপাশে রয়েছে ছনের ঘর সাদৃশ্য দুটি কক্ষ। ব্যতিক্রমী ডিজাইন আর রহস্যে ঘেরা এ মসজিদ নিয়ে বিভিন্ন রুপকথা প্রচলিত আছে। কেউ বলছেন একরাতে এ মসজিদ নির্মান করা হয়েছে। কেউ বলছেন আপনাআপনিই মসজিদটি নির্মিত হয়েছে। কারও ধারণা মসজিদটি এক পাগল নির্মান করেছে। আবার অনেকেই বলেন এই জমিতে মসজিদের নকশা ভেসে উঠেছিল পরে সেই নকশাকে নির্দেশনা হিসেবে মেনে নিয়ে সেখানে মসজিদ নির্মান করেন জমির মালিক।

#New_Classic_Event_Management

মসজিদটি ভাঙন কবলিত যমুনা নদীর তীব্র স্রোতের মাঝে একটি মাটিচাপার উপর অবস্থান করছিল দীর্ঘদিন। স্থানীয়রা জানান, এ মসজিদে একটি কামেল পাগল থাকতো। তার অদৃশ্য কেরামতি প্রকাশ হওয়ার হয়ে গেলে সে মসজিদটি ছেড়ে চলে যায়। এলাকাবাসী হাজারও চেষ্টা করেও তাকে ফেরাতে পারেনি। খরস্রোতা নদীর পানির উপর দিয়ে খরম পায়ে অবলীলায় সে পাগল হেঁটে চলে যায়। কথিত আছে যতদূর ওই পাগল পানির উপর দিয়ে হেঁটেছিল সেবছরই ওই অংশটুকু বালির চর হয়ে যায়। এরপর নদী আর এদিকে আসেনি।

টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার সলিমাবাদ ইউনিয়নের তেবাড়িয়া গ্রামে ব্যতিক্রমী দৃষ্টি নন্দিত প্রাচীন মসজিদটির আসল বয়েস কত সেটা জানা নেই কারও। ধারণা করা হয় মসজিদটি মোগল সম্রাটের আমলে নির্মাণ করা হয়েছে।


কাগজপত্র ঘেঁটে মসজিদের জমি দানের কোন ইতিহাস পাওয়া যায়নি। CS রেকর্ডে দেখা যায় মসজিদের নামে জায়গা আছে ৩১৪ ডিসিমেল। তবে কে এত জায়গা মসজিদের নামে দান করেছেন কাগজে সে সূত্রের কোন উল্লেখ নেই।

সরেজমিনে দেখা যায় সলিমাবাদ তেবাড়িয়া সড়কের মাঝে রাস্তার পাশেই মসজিদটি অবস্থিত। সারাদিনই দূড়দূরান্ত থেকে মানুষজন আসছে মসজিদটি দেখতে। কেউ আসছে গায়েবি মসজিদটি স্বচক্ষে দেখে দু’রাকাআত নামাজ পড়ার জন্য আবার কেউ আসছে বিভিন্ন মনোবাঞ্ছা পূরণে নগদ টাকা, ছাগল, মুরগী ও স্বর্ণালংকার দান করতে। মসজিদটি খুবই জাগ্রত বলে ধারণা করেন ভক্তবৃন্দরা।

এলাকাতেও মসজিদটির বিশেষ কদর রয়েছে। জানা গেছে তেবাড়িয়া গ্রামে ৬টি মসজিদ থাকলেও শুক্রবারের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয় শুধু মাত্র এই গায়েবি মসজিদে। ঈদের জামাতও ৬মসজিদের মুসল্লীরা এখানেই আদায় করেন।

গায়েবি মসজিদটি প্রথমে শুধু সামনের মূল অংশটি ছিল। তারপর ২০০১ সালে মুসল্লীদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় একধাপ বাড়ানো হয়। দিনদিন লোকসমাগম বাড়তে থাকায় দ্বিতীয় ধাপে মসজিদটি আরও বাড়ানো হয়। বর্তমানে একসাথে একহাজার মুসল্লী এই মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পরিচালনা কমিটি দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে সুউচ্চ মিনার নির্মাণ শুরু করেছেন। যার কাজ প্রায় শেষের দিকে। নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার সাথে সাথেই মসজিদের রহস্যজনক প্রথম অংশটুকু তালা দিয়ে রাখা হয়। এই অংশটুকু ঘিরেই গায়েবি মসজিদের নানান রহস্য ছরিয়ে আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি