ঢাকাSunday , 6 February 2022
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

জামায়াত নেতার পুত্রবধূ হলেন আ.লীগ নেতার মেয়ে

Link Copied!

জাতীয় রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ-জামায়াত সম্পর্কে অহি-নকুল পরিস্থিতি বিরাজ করলেও কক্সবাজারের স্থানীয় রাজনীতিতে এর প্রভাব একেবারেই গৌন করে তুলেছে আলোচিত একটি বৈবাহিক সম্পর্ককে ঘিরে।

#New_Classic_Event_Management

সম্প্রতি দল দুটির শীর্ষ দুই নেতার ছেলে মেয়ের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে জেলার প্রায় রাজনৈতিক দলের নেতাদের সরব উপস্থিতি এবং একত্রিত হবার দৃশ্য প্রাণ সঞ্চার করেছে উভয় দলের নেতা কর্মীদের মাঝে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিয়ের স্থিরচিত্র নিয়ে বেশিরভাগ নেটিজেন ইতিবাচকভাবে নিলেও কেউ কেউ করেছেন তীব্র সমালোচনাও।


সম্প্রতি টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জাফর আলমের মেয়েকে বধূ করে ঘরে তুলেছেন জেলা জামায়াতের নেতা এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী। তিনি উখিয়ার একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান এবং জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি।

শনিবার তাঁর আইনজীবী পুত্র হাসানুল বান্নার সাথে টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদের মেয়ে সুফিয়ার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়।

এই বিয়েকে ঘিরে শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের তারকামানের হোটেল সী-গালে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মিলনমেলা বসে।

সেখানে অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী, সাংসদ কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, সাবেক সাংসদ আব্দুর রহমান বদি, জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ নূর আহমদ আনোয়ারী, উখিয়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক চৌধুরী।

বিয়েতে উপস্থিত হয়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও এবি পার্টির নেতারা একাত্মা হয়ে উঠেন। এক সঙ্গে খাবার গ্রহণের পর সবাই মিলে জমকালো আড্ডা দিয়েছেন রাজনীতির মাঠে মুখ দেখাদেখি বন্ধ এ সকল রাজনীতিকরা। প্রাণবন্ত ওই আড্ডায় উঠে আসে পুরনো দিনের রাজনৈতিক অনেক স্মৃতি এবং বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলাপ হলেও পরিবেশ ছিল অত্যন্ত হাস্যোজ্জল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ। সেখানে আলোচনা হয় বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনে গঠিত সার্চ কমিটি নিয়েও। এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে কথা হলেও না কারো কোন গোসসা দেখা যায়নি।

রাজনীতিতে চির বিরূপ থাকলেও সামাজিক অনুষ্ঠানে জেলার সকল রাজনীতিকদের এমন সৌহার্দপূর্ণভাব দেখে অনুষ্ঠানের সাধারণ অতিথিরা আশ্চর্য হয়েছেন।

জানা গেছে, আগেই আকদ সম্পন্ন হয়েছিল হাসানুল বান্না ও সুফিয়ার। কিন্তু করোনার কারণে বিবাহত্তোর সংবর্ধনা করতে পারেননি। শনিবার কক্সবাজার শহরে তারকা হোটেল সী-গালে সীমিত পরিসরে করা হয় আনুষ্ঠানিকতা।

এতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এবি পার্টিসহ সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও আইনজীবী, সাংবাদিক, আলেম ওলামা ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ এবং পারিবারিক আত্মীয় স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি