ঢাকাThursday , 5 November 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

বহুতল ভবনে বদলে যাচ্ছে জিগাতলা সরকারি কলোনি

Link Copied!

রাজধানীর ধানমন্ডির জিগাতলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা বাড়াতে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১৩ তলাবিশিষ্ট প্রতিটি ভবনে ৮৫০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট থাকবে। তিনটি ভবনে মোট ১৮৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। মূলত ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

#New_Classic_Event_Management

বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য উন্নত ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মোট ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবাসিক ভবনগুলোর নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে গণপূর্ত অধিদপ্তর। এর সম্পূর্ণ অর্থায়ন করবে সরকার। এ জন্য জিগাতলায় প্রায় ২ দশমিক ৪৪ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে।


প্রকল্পের আওতায় জিগাতলা সরকারি কলোনির ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর ভবন ভেঙে সেখানে নতুন তিনটি বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে। পুরোনো চারটি ভবন অপসারণের বিষয়ে ইতোমধ্যে ভবন কনডেমনেশন কমিটির অনুমোদন পাওয়া গেছে।

এর আগে বিগত সরকারের সময় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের কাঠের কারখানা এলাকায় পাঁচটি এবং শিয়ালবাড়ি এলাকায় ছয়টি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়। ১৪ তলাবিশিষ্ট এসব ভবনের পাশাপাশি নোয়াখালী ও নারায়ণগঞ্জে আরও ১৫টি বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল।

তবে নতুন আবাসন প্রকল্প গ্রহণের আগে বিদ্যমান ভবনগুলোর ব্যবহার ও বরাদ্দ পরিস্থিতি পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনসংকট রয়েছে। তবে আগে নির্মিত ভবনগুলো ব্যবহার না হলে কিংবা যথাযথভাবে বরাদ্দ দেওয়া না হলে তার কারণ অনুসন্ধান করা জরুরি। ভবন নির্মাণের পর সেগুলো কেন খালি পড়ে থাকে, আগে সেই সমস্যার সমাধান করা উচিত। এরপর নতুন আবাসন প্রকল্প গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

এদিকে বুধবারের একনেক সভায় অনুমোদিত ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১১টি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প। এসব প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ৫০ হাজার ৪১ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ থেকে ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৭৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

সরকারের আশা, নতুন এই আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজধানীতে ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা সম্প্রসারিত হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি