ঢাকাMonday , 21 September 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

খুদে নৃত্যশিল্পী সিদ্ধিকার ঝুলিতে শহর থেকে জেলার পুরস্কার

Link Copied!

মাত্র ১০ বছর বয়স। পড়াশোনার পাশাপাশি নৃত্য ও অঙ্কনকে সঙ্গী করে এগিয়ে চলেছে পঞ্চসায়র শিশু নিকেতন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী সিদ্ধিকা পাওয়ার (নস্কর)। ইতোমধ্যে শহর থেকে জেলাস্তর পর্যন্ত বিভিন্ন নৃত্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছে ছোট্ট এই প্রতিভাবান শিক্ষার্থী।

#New_Classic_Event_Management

কলকাতার গড়িয়া-ঢালুয়া নবপল্লী এলাকার বাসিন্দা সিদ্ধিকার ডাকনাম ‘মিঠাই’। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি নৃত্যের প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ। নিয়মিত অনুশীলনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছে সে।

নৃত্যের প্রশিক্ষণ নিতে প্রতিকূল আবহাওয়াকেও উপেক্ষা করে দূরবর্তী ব্যান্ডেলে যেতে হয় সিদ্ধিকাকে। সেখানে নৃত্য শিক্ষিকা প্রিয়াঙ্কার কাছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নেয় সে। পড়াশোনার ফাঁকে সময় বের করে নৃত্যের অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছে এই খুদে শিক্ষার্থী।


সিদ্ধিকার পরিবারের সদস্যরা জানান, তার সাফল্যের পেছনে নিয়মিত অনুশীলনের পাশাপাশি পরিবারের সবার সহযোগিতা রয়েছে। মা ঝুমা নস্কর, দিদুন লক্ষ্মী নস্কর এবং মাসিমণি রুমা নস্কর সবসময় তাকে উৎসাহ দিয়ে আসছেন। মেয়ের স্বপ্ন পূরণে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও পাশে থাকার চেষ্টা করছেন তারা।

সিদ্ধিকার মা ঝুমা নস্কর বলেন, মেয়ের ইচ্ছা পূরণ করাই তার অন্যতম লক্ষ্য। এ জন্য পরিবারের সদস্যরা তাকে সবসময় সাহস ও সহযোগিতা করছেন। মেয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি নৃত্যচর্চা যাতে চালিয়ে যেতে পারে, সে বিষয়েও পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শুধু নৃত্য নয়, ভবিষ্যৎ নিয়েও নিজের স্বপ্নের কথা জানে সিদ্ধিকা। বড় হয়ে একজন প্রতিষ্ঠিত নৃত্যশিল্পী হওয়ার পাশাপাশি লোকোপাইলট হওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছে সে। মায়ের পাশে দাঁড়ানো এবং দিদুন ও মাসিমণির যত্ন নেওয়ার স্বপ্নও রয়েছে তার।

সিদ্ধিকা বলে, “আমাকে দিদুন, মাসিমণি ও মা খুব ভালোবাসে। আমি বড় হয়ে একজন বড় নৃত্যশিল্পী ও লোকোপাইলট হতে চাই। বড় হয়ে মায়ের পাশে থাকব, দিদুন ও মাসিমণির পাশে থাকব। আমি আরও অনেক পুরস্কার আনব এবং আরও ভালো করে নৃত্য শিখব।”

পরিবারের সদস্যদের আশা, ভবিষ্যতে নৃত্য শিক্ষিকার প্রশিক্ষণ ও পরিবারের সহযোগিতায় সিদ্ধিকা আরও সাফল্য অর্জন করবে। নৃত্যের পাশাপাশি পড়াশোনাতেও মনোযোগ ধরে রেখে একদিন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে—এমন প্রত্যাশা পরিবারের সবার।

মাত্র ১০ বছর বয়সেই একের পর এক পুরস্কার অর্জনের মধ্য দিয়ে সিদ্ধিকার এই পথচলা যেমন পরিবারকে আনন্দিত করেছে, তেমনি তার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী করে তুলেছে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি