ঢাকা জেলা মহিলা দলের আওতাধীন নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের আংশিক কমিটি ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সভাপতি সহ ১০ নেত্রীর একযোগে পদত্যাগের ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) নতুন কমিটি ঘোষণার পরপরই ত্যাগী ও সিনিয়র নেত্রীদের অবমূল্যায়ন, জুনিয়রদের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং অর্থের বিনিময়ে “পকেট কমিটি” গঠনের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে আজ বিকেলে কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুন্নি আক্তার ব্যতীত সভাপতি শাহীনুর আলমসহ নয়জন নেত্রী নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মিলিত হন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নবগঠিত কমিটি প্রত্যাখ্যান করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ সময় নেত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, নতুন কমিটি গঠনে ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি এবং দলীয় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি।
অসুস্থতার কারণে সহ-দপ্তর সম্পাদক বীনা আক্তার সশরীরে উপস্থিত থাকতে না পারলেও তিনি লিখিতভাবে এই সিদ্ধান্তের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন বলে জানানো হয়।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষুব্ধ নেত্রীবৃন্দ ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি রাহিমা শিলা এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতানা খন্দকারের পদত্যাগ দাবি করেন এবং তাদের এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।
এর আগে কমিটি প্রকাশের পরপরই সিনিয়র সহ-সভাপতি জোসনা বেগমসহ একাধিক নেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুক পোস্ট দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
নতুন কমিটি ঘোষণার অল্প সময়ের মধ্যেই এমন গণপদত্যাগকে ঘিরে নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।