বিজয়নগরের অসহায় হাফিজার স্থান এখন বাবার বাড়িতে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউপির শশই গ্রামের হাফিজার ও তার পরিবারবর্গের শেষ আশ্রয় স্থল বাবার বাড়িতে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিজয় নগরের হাফিজার বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী মাধবপুর উপজেলার মাধবপুর কুনা মাধবপুর মুন্সিবাড়ীর আশোক মিয়ার সাথে। হাফিজার ভাসুরের ছেলের রুবেল মিয়া স্ত্রী সোনিয়া আক্তার। কাছাকাছি বাড়ির চরিত্রহীন পদ লোভী, লুটতরাজকারী, লাঠিয়াল, দাঙ্গাবাজ ও আইন অমান্যকারী একই এলাকার ছুরুক মিয়া,সাবাস মিয়া (২৪), নব বধূর উপর কু নজর পড়ে। সন্ধ্যা হলে বাড়ির আশেপাশে ঘুরাঘুরি প্রেম প্রস্তাব ও বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিয়া আসিতেছিল। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়
গত ২৮ মার্চ সন্ধ্যার পর শ্রীলতাহানী করার উদ্দেশ্যে সোনিয়া আক্তারের পেছন থেকে ঝাঁপটে ধরে এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে এ সময় সে নিরুপায় হইয়া শোষচিৎকার করিলে বাড়িতে থাকা সোনিয়ার স্বামীর সাথে সাবাস মিয়া হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘঠনায়র পরিপ্রেক্ষিতে সবসমীয়া ও তার পরিবার ও গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি লুৎফার সহ কুপিয়ে কেটে ধ্বংসপ্রাপ্ত করে এবং লুটতরাজ চালিয়ে গৃহপালিত পশু ও স্বর্ণলংকার সহ সবকিছু নিয়ে যায়। আহত করে তাদেরকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এখন পর্যন্ত তারা ৫ টি পরিবার বাড়িতে যেতে পারেনি বাড়িগুলো এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। এসব ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িতে সন্ধ্যার পরে গাঁজা এবং ইয়াবার আসর বসে। এরপর প্রেক্ষিতে মাধবপুর থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখপূর্বক এজাহার দায়ের করেন ভুক্তভোগী হাফিজা। উক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে মাধবপুর থানায় বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনার সততা নিশ্চিত করে বলেন এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।