গ্যাস ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিল্প-কারখানার উদ্যোক্তারাও এর সঙ্গে একমত হয়েছেন। এতে দৈনিক প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
রোববার ব্যবসায়ীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় জ্বালানির দাম বৃদ্ধির বিকল্প ছিলোনা বলে জানান তিনি।
অক্টোবর মাস থেকেই দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে জানিয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নতির চেষ্টা চলছে। নেয়া হচ্ছে শিল্পে এলাকাভিত্তিক একেকদিন সাপ্তাহিক ছুটির উদ্যোগ।
এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে পোশাকসহ সব রপ্তানি খাতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমবে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের। এজন্য, বিকল্প উপায়ে শিল্পখাতকে সরকারি সহায়তা করার দাবি তাদের। পাশাপাশি বাসের মতো ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের ভাড়াও ঠিক করে দেয়ার আহ্বান ব্যবসায়ীদের।
এক লাফে ৪৪ শতাংশ দাম বেড়েছে ডিজেলের। যখন, পোশাকসহ সকল শিল্পেই ব্যবহার হয় জেনারেটর, যার বেশিরভাগই চলে ডিজেলে। পাশাপাশি সমুদ্র বন্দর থেকে কাঁচামাল আনা, উৎপাদন ও পণ্য পাঠাতে কয়েকধাপে লাগে ট্রাক কাভার্ড ভ্যান। এসব জায়গায় বাড়তি খরচ ব্যবসার সামগ্রিক ব্যয় অনেকটা বাড়াবে।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে তৈরি হওয়া অতিরিক্ত মূল্যস্ফীতি শ্রমিকের জীবন যাপনের ব্যয় বাড়াবে। শিল্পখাতে তাই মজুরি বাড়ানোর চাপও তৈরি হবে বলে মনে করে বিশ্লেষকরা।
শিল্পে সাপ্তাহিক ছুটি এলাকাভিত্তিক একেকদিন করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এতে দৈনিক প্রায় ৫শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা কমবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।