ঢাকাFriday , 19 June 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

সুন্দরবনের শান্তি-নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ডের কঠোর বার্তা

Link Copied!

সুন্দরবনের নিরাপত্তা জোরদার, দস্যুতা দমন এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক।

#New_Classic_Event_Management

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে বাগেরহাটের চিলা ইউনিয়নের জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ডের ভাসমান স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মহাপরিচালক বলেন, দেশের সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধ, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো, জেলে ও উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগকালে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।


তিনি জানান, সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং বনদস্যুতা সম্পূর্ণ নির্মূলের লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনায় ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

কোস্ট গার্ডের দাবি, ধারাবাহিক অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত তৎপরতার ফলে দস্যু চক্রগুলোর কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন ও তার সহযোগীরা কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।

রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যুদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মোংলার জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন হারবারিয়া স্থাপনের ফলে দস্যুদের রসদ, অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহের পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সুন্দরবনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন হারবারিয়ায় একদল দুর্বৃত্ত হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপকূলীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মহাপরিচালক বলেন, গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রভাবে না গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আস্থা রাখতে হবে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের নিরাপত্তা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের নিরাপদ জীবন-জীবিকা নিশ্চিত করতে অপরাধসংক্রান্ত তথ্য কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের জনগণের নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ এবং উপকূলীয় ও সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন মহাপরিচালক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি