ঢাকাSunday , 22 February 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

নির্বাচন শেষে কার্যালয়মুখী আ.লীগ নেতারা – নেপথ্যে কী সমঝোতা?

রাজনীতি ডেস্ক
February 22, 2026 5:36 pm
Link Copied!

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করছেন, এমনকি কোথাও কোথাও তালা খুলে ভেতরে প্রবেশও করেছেন—এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে।

#New_Classic_Event_Management

এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—তারা কি দলীয় নির্দেশে এ কাজ করছেন, নাকি ব্যক্তিগত উদ্যোগে? নাকি এর পেছনে বিএনপি, জামায়াত বা অন্য কোনো পক্ষের সঙ্গে সমঝোতা রয়েছে?

মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়। ফলে দলটি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।


তবে নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ঢাকাসহ কয়েকটি জেলা ও উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয় খুলে ভেতরে প্রবেশ করেছেন বা প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। কিছু জায়গায় কার্যালয় খোলার পর পাল্টা দখল ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। আত্মগোপনে থাকা দলের এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, দলীয় কার্যালয় নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তাই সেখানে যাওয়া থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বিরত থাকার কোনো কারণ দেখছেন না তারা।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সব ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত দল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সব ধরনের প্রচারণা, সভা-সমাবেশ, মিছিল, প্রকাশনা ও অনলাইন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

তবে নিষেধাজ্ঞার সময়েও বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিচ্ছিন্নভাবে ঝটিকা মিছিল করেছেন। পাশাপাশি অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দল সমর্থনে ও সরকারের সমালোচনায় বক্তব্য দিয়ে আসছেন।

দলীয় সূত্রের দাবি, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনা বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

এদিকে ঢাকা বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়ার কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হন। তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের মতে, এ ঘটনা কর্মীদের কিছুটা সাহস জুগিয়েছে।

এ ছাড়া কয়েকটি জেলার নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনের আগে কিছু স্থানে বিএনপি বা জামায়াতের প্রভাবশালী নেতারা ভোটের সমর্থন পাওয়ার আশায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় জনপ্রিয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তখন নির্বাচনের পর কার্যালয় খুলতে দেওয়া হবে বা বাধা দেওয়া হবে না—এমন আশ্বাসও নাকি দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু এখন কিছু এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের ভেতরের প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠী সেই আশ্বাস বাস্তবায়নে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে কোথাও কোথাও কার্যালয় খোলার পর আবার হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি