ঢাকাWednesday , 24 December 2025
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

তুরস্কে বিমান বিধ্বস্ত – লিবিয়ার সেনাপ্রধানসহ নিহত আট

Link Copied!

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার কাছে একটি বিমান দুর্ঘটনায় লিবিয়ার সেনাপ্রধান মোহাম্মেদ আলি আহমেদ আল-হাদ্দাদ নিহত হয়েছেন। তার সঙ্গে থাকা আরও চারজন লিবিয়ান কর্মকর্তাও মারা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ ডেবেইবা।

#New_Classic_Event_Management

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী ডেবেইবা ঘটনাটিকে ‘মর্মান্তিক দুর্ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, আঙ্কারা থেকে ফেরার পথে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।

ডেবেইবা বলেন, এই দুর্ঘটনা দেশ, সামরিক বাহিনী ও সাধারণ মানুষের জন্য বড় ক্ষতি। নিহতরা নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দেশের সেবা করেছেন।


এই দুর্ঘটনায় আরও যারা নিহত হয়েছেন, তারা হলেন—গ্রাউন্ড ফোর্সেস চিফ অব স্টাফ আল-ফিতৌরি ঘারিবিল, মিলিটারি ম্যানুফ্যাকচারিং অথরিটির পরিচালক মাহমুদ আল-কাতাউই, আল-হাদ্দাদের উপদেষ্টা মুহাম্মদ আল-আসাউই দিয়াব এবং মিলিটারি ফটোগ্রাফার মুহাম্মদ ওমর আহমেদ মাহজুব।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে এক তুর্কি কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়, দুর্ঘটনায় বিমানের তিনজন ক্রু সদস্যও নিহত হয়েছেন। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানে বৈদ্যুতিক ত্রুটি দেখা দেয়। তখন জরুরি অবতরণের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু বিমানটি নিরাপদে নামতে পারেনি।

তুরস্কের প্রেসিডেন্সির কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেটের প্রধান বুরহানেত্তিন দুরান সামাজিক মাধ্যমে জানান, প্রাইভেট জেটটিতে লিবিয়ার সেনাপ্রধান, তার চার সহযোগী এবং তিনজন ক্রু সদস্য ছিলেন। উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর বৈদ্যুতিক সমস্যার কারণে তারা জরুরি অবতরণের অনুমতি চান।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি ইয়েরলিকায়া জানান, আঙ্কারা থেকে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির উদ্দেশে যাত্রা করার পর বিমানটি আঙ্কারা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে কেসিককাভাক গ্রামের কাছে হায়মানা এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

এক তুর্কি কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানান, দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে প্রযুক্তিগত ত্রুটির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলা বা নাশকতার কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।

তুর্কি সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য আল-হাদ্দাদ ও তার সঙ্গীরা আঙ্কারায় এসেছিলেন। তারা যে প্রাইভেট জেটে তুরস্কে যান, সেটি লিবিয়া সরকারের ভাড়া করা বিমান ছিল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি