টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে পড়ে পুরস্কার পালেন শিশু-কিশোররা। জামাতে অংশগ্রহণসহ নামাজ আদায়ে শিশু-কিশোরদের উদ্ধুদ্ধকরণে দেশে-বিদেশে এমন প্রতিযোগিতা দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। প্রায়ই বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ পাচ্ছে।
তেমনি ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের শাইনপুকুর তানজীমুল উম্মাহ দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা টানা ৪০ দিন তাকবিরে উলার (নামাজ শুরুর প্রথম তাকবির) সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করার জন্য ৮০জন কিশোর অংশ গ্রহণ করেন। তার মধ্যে থেকে ১৮ জনকে বাইসাইকেল ও অন্যদেরকে পুরস্কার দিয়েছেন শাইনপুকুর আল-কুরআন গবেষণা জামে মাসজিদ কমিটি।
শনিবার (১৭ জুন ) সকালে শাইনপুকুর তানজীমুল উম্মাহ দাখিল মাদরাসার সভাকক্ষে পুরুষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এলাকায় কিশোরদের হাতে এই বাইসাইকেল তুলে দেওয়া হয়।
মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, শিশু-কিশোরদের নামাজে আগ্রহী করতে এ প্রতিযোগিতা শুরু করা হয়। এলাকার ৮০ জন শিশু-কিশোর এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় তবে আস্তে আস্তে এর সংখ্যা কিছুটা কমে আসে। পরে সেখান থেকে ১৮ জন কিশোরকে অনুষ্ঠানিকভাবে বাইসাইকেল দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।
তবে যারা টানা ৪০ দিন নামাজ আদায় করতে পারেনি তাদেরকেও নিরাশ করেনি আয়োজকরা বাকীদেরকেও পুরুষ্কার দেওয়া হয়। শিশু-কিশোরদের নামাজে উদ্বুদ্ধ করতে ব্যতিক্রমী এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান কমিটিরা।
মাওলানা মহসীন উদ্দিনের সঞ্চালনায় ও সভাপতি ও পরিচালক, অত্র মাদ্রাসা ও মাসজিদ কমিটির ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হোসেন গাজীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রফিকুল ইসলাম মিয়াজী আন-নাহদা ফাউন্ডেশন ও তত্ত্বাবধায়ক অত্র মাদ্রাসার।
প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি বলেন, আমরা অনেকেই আছি বিভিন্ন খেলায় জিতে পুরুষ্কার নেই কিন্তু নামাজ পরে পুরুষ্কার জিতা খুব কম দেখা যায়। যারা আজকে পুরুষ্কার পেল তাদেরকে তদারকি করতে হবে যাতে তারা এই নামাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে সে জন্য।
তিনি আরো বলেন, তারা যাতে এই নামাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে সে জন্য আমরা প্রতিমাসে ছোটখাটো পুরুষ্কার এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, রুহুল আমিন, ফজলুর রহমান ফজল, রাফিয়া গাজী, মোবারক হোসেন মোল্লা, আব্দুল খালেক-মুয়াজ্জিন, আনোয়ার হোসাইন, যোবায়ের খান প্রমুখ।