তিনি কাপড়ের ব্যবসা করেন। অথচ প্রাইভেট চেম্বার খুলে চোখের চিকিৎসা দেন। অবশেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তার আসল পরিচয় বেরিয়ে আসে।
তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম (৪৪)। তার ডেন্টাল ও মেডিকেল কাউন্সিলের নিবন্ধন নেই। এমনকি এমবিবিএস সনদও নেই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মার্কেটের সালমান অপটিকসে রোগী দেখছেন।
নবাবগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, সাইফুলের বাংলাদেশ ডেন্টাল ও মেডিকেল কাউন্সিলের নিবন্ধন নেই। এমনকি এমবিবিএস সনদও নেই। তিনি মূলত কাপড়ের ব্যবসায়ী এবং টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা। তবে প্রতি সপ্তাহে নবাবগঞ্জে চোখের রোগী দেখতে আসেন।
তিনি আরও বলেন, সাইফুল ইসলামকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
ভুয়া চিকিৎসকের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।