ঢাকাWednesday , 29 September 2021
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

Link Copied!

কুড়িগ্রাম রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের খিতাব খা গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পড়ুয়া শিশুকন্যা কে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের পঞ্চাশ উর্ধ্ব নরেশ চন্দ্রের বিরুদ্ধে।

#New_Classic_Event_Management

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় গত ২৮ শে সেপ্টেম্বর রোজ মঙ্গলবার দুপুর ১১ঃ০০ ঘটিকায় ধর্ষিতার পরিবারের সকল সদস্য ইউনিয়ন পরিষদে করোনার টিকা নিতে যান। সুযোগ বুঝে পঞ্চাশ উর্ধ্ব নরেশ চন্দ্র তার লালসা মিটানোর জন্য মোকছেদুলের বাড়িতে প্রবেশ করেন। ফাঁকা বাড়ি পেয়ে তৃতীয় শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

মেয়েটির আত্ম-চিৎকারে পাশের বাড়ির কয়েকজন মহিলা ছুটে এসে নরেশ চন্দ্র কে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে গ্রামবাসীরা এসে নরেশ চন্দ্রের এহেন ন্যাক্কারজনক কাজের জন্য তাকে বাড়ির উঠানে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় কিছু দালাল শ্রেণির লোকজন ভিকটিমের পরিবারকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা না করার জন্য চাপ দেন।


পরে ঘটনার দিন দিবাগত রাতে ৭০ হাজার টাকা রফাদফা করে অভিযুক্ত নরেশ চন্দ্র কে ছেড়ে দেন। গ্রাম্য সালিশে ৭০ হাজার টাকা রফাদফা করলেও ভিকটিমের পরিবারকে কোন টাকা পয়সা দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে ভিকটিমের দাদা আছমান উদ্দিন সাংবাদিক কে জানান মঙ্গলবার আমরা বাড়ির সকল সদস্য ইউনিয়ন পরিষদে করোনার টিকা নিতে যাই। টিকা নিয়ে এসে দেখি নরেশ চন্দ্র কে এলাকাবাসী আমার বাড়ির উঠানে খুঠির সাথে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছে। পরে প্রত্যক্ষদর্শির কাছ থেকে জানতে পারি আমার স্কুল পড়ুয়া তৃতীয় শ্রেণির নাতনি কে ধর্ষণ করেছে নরেশ চন্দ্র।

ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবু মেম্বার ও কালাম মাস্টার গ্রাম্য সালিশ বসিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করে দেন।

ভিকটিমের চাচা আমিন সাংবাদিক কে জানান স্থানীয় মেম্বার বাবু মন্ডল ও সালাম মাস্টার গ্রাম্য সালিশ বসিয়ে ৭০হাজার টাকা রফাদফা করে দেন। ৭০হাজার টাকা রফাদফা করে আপোষ মিমাংসা করলেও কোন রকম টাকা পয়সা ভিকটিমের পরিবার পায়নি বলে জানান ভিকটিমের চাচা আমিন।

অভিযুক্ত নরেশ চন্দ্র সাংবাদিক কে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী কে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

এবিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ রাজু সরকার বলেন ভিকটিমের পরিবার থেকে এখনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি