ঢাকার কেরানীগঞ্জে নিজ বাসার ফ্ল্যাট থেকে ডালিয়া আক্তার সুমা (৫০) নামে এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে উপজেলার বাস্তা ইউনিয়নের রসুলপুর বাজারে সোনালী ব্যাংক ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত ডালিয়া আক্তার সুমা কেরানীগঞ্জ মডেল থানার বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করতেন। তিনি রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা লিয়াকত শিকদারের মেয়ে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর দুই মেয়েকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন সুমা। মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি একাই সেখানে থাকতেন। শুক্রবার সকালে ফ্ল্যাটে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা রেহেনা পারভিন জানান, ডালিয়া আক্তার সুমা দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একটি স্কুলে চাকরি করতেন। নিজ বাসায় তাঁর এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা রহস্যজনক। কারও সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন জানান, ফাঁকা বাসায় কে বা কারা তাঁকে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
