ঢাকাWednesday , 22 July 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

মহাকবির স্মরণে নবাবগঞ্জে শিশুদের আবৃত্তির উৎসব

Link Copied!

মহাকবি কায়কোবাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নবাবগঞ্জ পল্লবী কচি-কাঁচার মেলার উদ্যোগে বিদ্যালয়ভিত্তিক বিশেষ ‘আজান’ কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। উ

#New_Classic_Event_Management

পজেলাব্যাপী এই আয়োজনের অংশ হিসেবে ২১ জুলাই নবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ১ নম্বর রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের প্রাণবন্ত কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করা হয়।

নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে এই বিশেষ আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগমসহ সহকারী শিক্ষক কাউছার হুসাইন, সামছুন নাহার, পারভীন আক্তার ও নূর নাহার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া নবাবগঞ্জ পল্লবী কচি-কাঁচার মেলার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক শুভাশিস গোস্বামী ও অনিক হোসেন আবির।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম বলেন, “মহাকবি কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম মহান পুরুষ। তাঁর কালজয়ী ‘আজান’ কবিতা আমাদের শৈশব ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শিশুদের মাঝে এই অমর সৃষ্টি ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কবিতার পাশাপাশি নিজেদের প্রতিভা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের সুযোগ পাবে।”

আয়োজকদের পক্ষ থেকে পল্লবী কচি-কাঁচার মেলার সংগঠক শুভাশিস গোস্বামী বলেন, “মহাকবি কায়কোবাদ নবাবগঞ্জের গর্ব ও বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। ‘আজান’ কবিতার আবেগ, সৌন্দর্য ও মানবিক বার্তা শিশুদের কণ্ঠে তুলে ধরার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে।”

তিনি আরও বলেন, ১ নম্বর রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন নবাবগঞ্জের ১৩০টি বিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থীর মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।

প্রতিযোগিতায় রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তারা হলো— তাকওয়া ইসলাম, তিশা আক্তার, লামিয়া ইসলাম, জান্নাতুল ইসলাম, সিনথিয়া ইসলাম, তানজিম ফারাবী, ফারহানা আক্তার রিতি, তায়েবা আক্তার, আতিকুল ইসলাম ও সিয়াম হোসেন।

বিচারকদের মূল্যায়নে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে তাকওয়া ইসলাম, দ্বিতীয় হয় সিনথিয়া ইসলাম এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে তানজিম ফারাবী।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ করা হয়। উপস্থিত শিক্ষক ও অতিথিরা শিশুদের চমৎকার পরিবেশনার প্রশংসা করেন এবং পুরো উপজেলায় এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি