শিশুদের মধ্যে মৌসুমি ফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যালয়ের সঙ্গে অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৪ নম্বর চর তাশুল্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী “মৌসুমি ফল পরিচিতি ও শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় অভিভাবক বন্ধু সম্মাননা-২০২৬” অনুষ্ঠান।
বুধবার (৮ জুলাই) বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির অভিভাবকদের আয়োজনে এবং নবাবগঞ্জ পল্লবি কচি-কাঁচার মেলার সহযোগিতায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, তরমুজসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলের প্রদর্শনী ও পরিচিতি তুলে ধরা হয়।
এ সময় ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ফলের নাম, পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে বক্তব্য উপস্থাপন করে।
এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল “শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় অভিভাবক বন্ধু সম্মাননা-২০২৬” প্রদান। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর প্রতিমা রায়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী সিনহা আক্তারের হাত দিয়ে তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।
এ উদ্যোগের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সপ্রবাসী এবং নবাবগঞ্জ পল্লবি কচি-কাঁচার মেলার কার্যনির্বাহী সদস্য প্রীতম মন্ডল। প্রবাসে অবস্থান করেও দেশের শিশু শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে তার সম্পৃক্ততা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়ায়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস। এ সময় সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আক্কাস আলী, আনন্দ চন্দ্র রায়, রতন কুমার সরকার, পল্লব চক্রবর্তী ও রিফাত চৌধুরী, নবাবগঞ্জ পল্লবি কচি-কাঁচার মেলার কার্যনির্বাহী সদস্য আবির হোসেন অনিক, অভিভাবক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যালয় ও অভিভাবকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে।
অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে মৌসুমি ফল বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।