ঢাকাTuesday , 28 April 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

দোহারের দুই কিংবদন্তি – প্রজন্মে প্রজন্মে অনুপ্রেরণা

Link Copied!

ঢাকার দোহার উপজেলার ইতিহাসে আশরাফ আলী চৌধুরী (মধু মিয়া) এবং তাঁর ছোট ভাই জি. এস. চৌধুরী (আতা মিয়া) জনসেবা, শিক্ষা বিস্তার ও সমাজকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। এই দুই ভাই তাঁদের কাজের মাধ্যমে দোহার-নবাবগঞ্জসহ দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন।

#New_Classic_Event_Management

মধু মিয়া ১৯১৮ সালের ১ অক্টোবর দোহারের জয়পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা গোলাম রাসূল চৌধুরী এবং মাতা রাহিমুন্নেসা বেগম। তিনি আয়কর উপদেষ্টা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সভাপতি, ঢাকা জেলার গভর্নর (১৯৭৫) এবং ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে এমএনএ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও ছিলেন।

১৯৭০ ও ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন এবং ব্যাপক জনসমর্থন পান। দোহারবাসীর কাছে তিনি আজও “মধু ভাই” নামে পরিচিত।


শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি জয়পাড়া কলেজ, জয়পাড়া টেকনিক্যাল কলেজ, জয়পাড়া প্রাইমারি বিদ্যালয় এবং জমিলা স্মৃতিভবন প্রতিষ্ঠা ও ভূমিদান করেন। এছাড়া দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ এবং পুরানা পল্টনের নিধু স্মৃতি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠায়ও ভূমিকা রাখেন।

তিনি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অন্যদিকে, তাঁর ছোট ভাই আতা মিয়া ১৯২৫ সালের ১ এপ্রিল জয়পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা ও সমাজসেবক ছিলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৮৪ সালে অবসর নেন এবং পরে ইনকাম ট্যাক্স ট্রাইবুনালের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।

তিনি দোহার উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনকল্যাণমূলক কাজ আজও স্মরণীয়।

শিক্ষা বিস্তারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং জয়পাড়া কলেজ ও টেকনিক্যাল কলেজের ভূমিদাতা ছিলেন।

১৯৯৮ সালের ২৮ মার্চ তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং জয়পাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

দোহারের এই দুই ভাই তাঁদের কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমে মানুষের মনে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন। সমাজসেবা, দানশীলতা ও শিক্ষার প্রসারে তাঁদের অবদান আজও দোহারবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।ঢাকার দোহার উপজেলার ইতিহাসে আশরাফ আলী চৌধুরী (মধু মিয়া) এবং তাঁর ছোট ভাই জি. এস. চৌধুরী (আতা মিয়া) জনসেবা, শিক্ষা বিস্তার ও সমাজকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। এই দুই ভাই তাঁদের কাজের মাধ্যমে দোহার-নবাবগঞ্জসহ দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন।

মধু মিয়া ১৯১৮ সালের ১ অক্টোবর দোহারের জয়পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা গোলাম রাসূল চৌধুরী এবং মাতা রাহিমুন্নেসা বেগম। তিনি আয়কর উপদেষ্টা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সভাপতি, ঢাকা জেলার গভর্নর (১৯৭৫) এবং ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে এমএনএ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও ছিলেন।

১৯৭০ ও ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন এবং ব্যাপক জনসমর্থন পান। দোহারবাসীর কাছে তিনি আজও “মধু ভাই” নামে পরিচিত।

শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি জয়পাড়া কলেজ, জয়পাড়া টেকনিক্যাল কলেজ, জয়পাড়া প্রাইমারি বিদ্যালয় এবং জমিলা স্মৃতিভবন প্রতিষ্ঠা ও ভূমিদান করেন। এছাড়া দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ এবং পুরানা পল্টনের নিধু স্মৃতি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠায়ও ভূমিকা রাখেন।

তিনি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অন্যদিকে, তাঁর ছোট ভাই আতা মিয়া ১৯২৫ সালের ১ এপ্রিল জয়পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা ও সমাজসেবক ছিলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৮৪ সালে অবসর নেন এবং পরে ইনকাম ট্যাক্স ট্রাইবুনালের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।

তিনি দোহার উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনকল্যাণমূলক কাজ আজও স্মরণীয়।

শিক্ষা বিস্তারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং জয়পাড়া কলেজ ও টেকনিক্যাল কলেজের ভূমিদাতা ছিলেন।

১৯৯৮ সালের ২৮ মার্চ তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং জয়পাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

দোহারের এই দুই ভাই তাঁদের কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমে মানুষের মনে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন। সমাজসেবা, দানশীলতা ও শিক্ষার প্রসারে তাঁদের অবদান আজও দোহারবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি