সাবেক নবাবগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলমগীর হোসেন বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি আওয়ামী লীগের আমলে নবাবগঞ্জে দায়িত্বের সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন বিএনপি উপজেলা চেয়ারম্যানের মাসিক উন্নয়ন সভা পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করেছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান সভায় যোগ দিতে না পারায় আলমগীর হোসেন পরিষদ চত্বরে পুলিশ ও আনসার মোতায়েন করেছিলেন। এতে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং জনপ্রতিনিধিদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সভা থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়।
স্থানীয়রা মনে করেন, আলমগীর হোসেনের এই ধরনের আচরণ সেই সময়ে স্থানীয় প্রশাসনের ক্ষমতার দাপটের পরিচায়ক ছিল। একজন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “তার উদ্যত আচরণ, বিধিভঙ্গ ও দাপট শুধু আমাদের কষ্ট দেয়নি, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে অনেকটা ভয়ে অফিস ছাড়তেও হয়েছিল।”
বর্তমান বিএনপি সরকারের সময়ও আলমগীর হোসেন মন্ত্রণালয়ে বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। ২৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় জাতীয় স্মৃতিসৌধে তাকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ীর পাশে দেখা গেছে। এটি স্থানীয়দের মতে রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা বিবেচনায় আশ্চর্যজনক ঘটনা।
নবাবগঞ্জবাসী সেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সরকারের কাছে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।