ঢাকাTuesday , 7 April 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

বিচারকরা ঐক্যবদ্ধ – সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে

Link Copied!

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিত করার প্রস্তাব উঠলেও সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে অধস্তন আদালতের বিচারকরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এবং সপ্তদশ বিজেএস (বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস) ফোরামের রোববার এক যৌথ বিবৃতিতে এ অবস্থান জানানো হয়।

#New_Classic_Event_Management

বিবৃতিতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিচারকদের মধ্যে কোনো বিভক্তি নেই। বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক স্বাধীনতা, জবাবদিহি এবং কার্যকর প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করতে তারা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ।

২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। পরবর্তী মাসে সচিবালয় উদ্বোধন করা হয়। পৃথক এই সচিবালয়ের জন্য ইতোমধ্যে একজন সচিব, ১৫ জন জুডিশিয়াল অফিসার এবং ১৯ জন স্টাফ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশ ও এর সংশোধনী রহিত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি।


জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জানায়, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তারা আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ পর্যালোচনার পর অধ্যাদেশটি দ্রুত আইনে রূপান্তরিত হবে।

সপ্তদশ বিজেএস ফোরাম এক বিবৃতিতে জানায়, বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা, মর্যাদা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করতে সদ্য প্রতিষ্ঠিত সচিবালয়ের কাঠামোকে তারা স্বাগত জানায়। এ সময় সচিবালয়ের কার্যকর বাস্তবায়ন ও ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জেলা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, ছুটি এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণমুক্ত রেখে সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের আওতায় ন্যস্ত করা প্রয়োজন। সচিবালয়কে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতায় সক্ষম করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের কার্যকর পৃথকীকরণ, বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আদালতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিচার প্রশাসনের আধুনিকায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিচারকরা যেন নির্ভয়ে, স্বাধীনভাবে ও ন্যায়নিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন—এমন পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করা হয়।

সপ্তদশ বিজেএস ব্যাচের বিচারকরা আশা প্রকাশ করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অগ্রযাত্রা কোনো প্রশাসনিক, রাজনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক বাধায় ব্যাহত হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি