ঢাকাSaturday , 24 January 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

বাগেরহাটে শিশু সন্তানকে হত্যার পর ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রীর আত্মহত্যা

Link Copied!

বাগেরহাটে ৯ মাসের শিশু সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী নিজে গলায় রশী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রাম থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই নারীর এবং মেঝে থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

#New_Classic_Event_Management

আত্মহত্যাকারী কানিজ সুর্বনা স্বর্ণালী (২২) বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী এবং জাতীয় পার্টি নেতা রুহুল আমিন হাওলাদারের মেয়ে।

হত্যার শিকার শিশু নাজিম হোসেন ওই দম্পতির একমাত্র সন্তান। বছর পাঁচেক আগে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের সাথে তার বিয়ে হয়। জুয়েল হাসান সাদ্দাম বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় যশোর কারাগারে রয়েছেন।
নিহত স্বর্ণালীর ভাই শুভ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে স্বর্ণালী প্রথমে তার শিশুসন্তানকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেন।


শুভ আরও জানায়, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। স্বর্ণালী তার স্বামীকে খুব ভালোবাসতেন এবং তাকে কারাগার থেকে মুক্ত করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছিলেন। এ কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশা থেকেই প্রথমে ৯ মাসের শিশু সন্তান বালতিতে থাকা পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন।

সাদ্দামের বাড়িতে তার মা, বোন, স্ত্রী ও সন্তান একসঙ্গে বসবাস করতেন।
নিহত স্বর্নালীর বাবা রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যাই করেছে। আমরা কাউকে দোষ দিতে চাই না। ময়নাতদন্ত ছাড়া মেয়ে ও নাতনির মরদেহ নেওয়ার জন্য আমরা আবেদন করেছি। এখন প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেয়।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আগামীকাল সকালে ময়নাতদন্ত হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা নিহতের পরিবার, শ্বশুর বাড়ির লোক ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী নিজের সন্তানকে হত্যার পরে ওই নারী আত্মহত্যা করেছেন। মূলত ময়নাতদন্তের পরে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানাযাবে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি